আগামী দুই বছর নিয়ে আমার আশঙ্কা: পল ক্রুগম্যান
১৯৪৫ সালের মার্চের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে অ্যাডলফ হিটলারও বুঝতে পেরেছিলেন, যুদ্ধে পরাজয় অনিবার্য। সোভিয়েত বাহিনী বার্লিন থেকে মাত্র ৪৫ মাইল দূরে পৌঁছে গিয়েছিল। মার্কিন বাহিনী রাইন নদী পার হয়ে জার্মানির অবশিষ্ট প্রতিরক্ষাবাহিনীকে ঘিরে ফেলার পথে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হিটলার বিশ্বাস করতেন না যে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। বরং তার বিশ্বাস ছিল, জার্মান জনগণই তাকে ব্যর্থ করেছে।
এ কারণে ১৯ মার্চ তিনি 'রাইখের ভূখণ্ডে ধ্বংসযজ্ঞ-সংক্রান্ত ডিক্রি' জারি করেন। এটি পরে 'নেরোবেফেল' বা 'নেরো ডিক্রি' নামে পরিচিতি পায়। ডিক্রিতে জার্মানির নিজস্ব অবকাঠামো ধ্বংস করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কথিত উদ্দেশ্য ছিল, মিত্রবাহিনী যেন ওই অবকাঠামো ব্যবহার করতে না পারে। কিন্তু এর প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল স্পষ্টতই নিজের দেশকেই শাস্তি দেওয়া।
সৌভাগ্যবশত, আলবার্ট স্পিয়ারসহ নাৎসি সরকারের অন্য কর্মকর্তারা সেই নির্দেশ কার্যকর করেননি। যদিও তারা কী করছেন—বা করছেন না—সে বিষয়ে হিটলারকে সম্ভবত কিছুই জানাননি।