চুয়েটের আন্দোলনে ‘রাজনীতি’ দেখছেন সরকারের কেউ কেউ, শিক্ষার্থীরা বলছেন ভিন্ন কথা

প্রথম আলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:২৪

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২২ দিন ধরে অচলাবস্থা চলছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)। এর মধ্যে নিয়োগের ২১ দিন পর গতকাল সোমবার নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন।


আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। শিক্ষার্থীরা বলছেন, নতুন উপাচার্যের পদত্যাগ ও সাবেক উপাচার্যের পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন বন্ধ করবেন না। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।


এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির সংকট সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান উদ্যোগ না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কারও কারও ধারণা, এ আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। এর আগে গত মে মাসে গাজীপুরে অবস্থিত ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে হওয়া আন্দোলন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের পেছনেও রাজনীতি ছিল বলে মনে করেন সরকারের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ।


তবে চুয়েটের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাঁদের আন্দোলনের সঙ্গে দলীয় রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনা করেই তাঁরা আন্দোলন করছেন। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও