ডেঙ্গু ও হামের দ্বৈত ঝুঁকি মোকাবিলায় চাই বাড়তি সচেতনতা

ঢাকা পোষ্ট আনোয়ার খসরু পারভেজ প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫

সারা দেশের ঘরে ঘরেই এখন একই চিত্র—কারও হালকা তাপমাত্রা, কারও বা তীব্র গা ব্যথা, সঙ্গে সর্দি-কাশি। চারপাশের এমন পরিস্থিতিতে সাম্প্রতিক সময়ে ‘জ্বর’ শব্দটির সঙ্গে যেন জড়িয়ে গেছে এক তীব্র আতঙ্ক।


সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য কিংবা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের উপচে পড়া ভিড় আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, স্বাস্থ্যভাবনায় এটি এখন বড় উদ্বেগের নাম।


তবে পরিসংখ্যান ও ভীতির আড়ালে যে সত্যটি আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, তা হলো—জ্বর কোনো স্বাধীন রোগ নয়, বরং এটি একটি উপসর্গমাত্র। জ্বরের ঋতুতে আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু যখন অজ্ঞতা আর ভয়, তখন বিজ্ঞান ও সচেতনতার মেলবন্ধনই হতে পারে একমাত্র ঢাল।


আমাদের শ্বাসনালী কিংবা রক্তে যখন ভাইরাসের অনুপ্রবেশ ঘটে, তখন শরীরের নিজস্ব বাহিনী—শ্বেতকণিকা ও ফ্যাগোসাইট কোষগুলো এক জরুরি সংকেত পাঠায়। এই রাসায়নিক সংকেত মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসকে প্রভাবিত করে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।


এই বাড়তি উত্তাপ মূলত আক্রমণকারী জীবাণুর বংশবৃদ্ধি থামানো এবং টিস্যু মেরামতের জন্য শরীরের ছুড়ে মারা প্রতিরক্ষামূলক গোলাবারুদ। অনাক্রম্যতার (Immunity) এই প্রতিরোধ যুদ্ধ চলাকালেই পেশি ও জয়েন্টে শুরু হয় তীব্র ব্যথা, সাথে বর্জ্য বের করতে দেখা দেয় কাশি বা সর্দি। জীবাণুর দাপট কমলে ঘামের মাধ্যমে শরীর আবার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসে।


প্রকৃত সমস্যাটি বাঁধছে বর্তমান মৌসুমে ভাইরাসের বহুমাত্রিক রূপ ও যৌথ আক্রমণ নিয়ে। বিশেষ করে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে একদিকে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব, অন্যদিকে বাতাসে অন্যান্য ভাইরাসের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।


প্রথমত, আমাদের চেনা ডেঙ্গুর আচরণে এসেছে স্পষ্ট পরিবর্তন। আগে ডেঙ্গু মানেই ছিল কাঁপানো তীব্র জ্বর, কিন্তু এখন অনেক ক্ষেত্রেই দেখা মিলছে সামান্য বা মাঝারি জ্বরের। ফলে একে সাধারণ ফ্লু ভেবে ভুল করার ঝুঁকি বাড়ে। আসল বিপদটি দেখা দেয় জ্বর কমে যাওয়ার পর—সাধারণত ৩ থেকে ৬ নম্বর দিনে। এ সময় হঠাৎ শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, প্লাটিলেট কমে যাওয়া এবং রক্তনালী থেকে প্লাজমা লিকেজ হয়ে রোগী দ্রুত ‘ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম’-এর দিকে চলে যেতে পারে।


দ্বিতীয়ত, শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের মাঝেও উদ্বেগের সৃষ্টি করছে হামের (Measles) পুনরুত্থান। প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি ও কাশির কয়েক দিন পর কান ও মুখের পেছনে লালচে র‍্যাশ দেখা দিয়ে তা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও