বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার পর সৌদিতে কর্মসংস্থানে নতুন ধাক্কা
রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলার জেরে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট একের পর এক বাতিল ও স্থগিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। ছুটিতে দেশে আসা কর্মীরা কাজে ফিরতে পারছেন না। যাত্রা পিছিয়ে যাওয়ায় তাঁদের ভিসার মেয়াদ ও চাকরি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
বাংলাদেশের বিদেশে কর্মসংস্থান মূলত মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর। সবচেয়ে বড় গন্তব্য সৌদি আরব। অন্য কয়েকটি বড় শ্রমবাজার বন্ধ বা সংকুচিত হওয়ায় দেশটির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। যদিও এ বছরের শুরু থেকে সৌদিতে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা কমছে। এখন সৌদিতে হামলা ও বিমান চলাচল বিঘ্নের ঘটনায় বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের ওপর নতুন ধাক্কা এল। এই পরিস্থিতিতে সরকারি সংস্থা, রিক্রুটিং এজেন্সি ও অভিবাসন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) হিসাবে, গত বছরের ১২ অক্টোবর পর্যন্ত বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র নিয়েছিলেন ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬ জন। এ বছরের একই সময়ে সংখ্যাটি কমে হয়েছে ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬৩২ জন, অর্থাৎ প্রায় ৩২ শতাংশ কমেছে। শুধু সৌদি আরবে যাওয়ার ছাড়পত্র নেওয়া কর্মীর সংখ্যা ৫ লাখ ৭২ হাজার ৫৪ থেকে কমে হয়েছে ৩ লাখ ১১ হাজার ৫৬৭ জন। এই কমার হার প্রায় ৪৬ শতাংশ।
গতকাল সোমবার বেলা একটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১৫ জনের বেশি যাত্রীর সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। সৌদি আরবগামী যাত্রীদের অধিকাংশই বিমানবন্দরে এসেছেন তাঁদের ফ্লাইট বাতিলের তথ্য জানতে। আবার কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন বিকল্প কোনো ফ্লাইটে গন্তব্যে যেতে।