বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে বেসরকারি পুঁজি সংগ্রহে জোর দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমানো, ঋণ ও পুঁজিবাজারের সক্ষমতা বাড়ানো, স্থানীয় মুদ্রায় অর্থায়ন এবং নীতিগত সংস্কারের মতো বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি।
একই সময়ে থাইল্যান্ডের বিনিয়োগ আকর্ষণে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালাল খাদ্য উৎপাদন, শিল্পায়ন এবং দুদেশের মধ্যে যৌথ উৎপাদন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাংকের নতুন কোনো বিনিয়োগ কর্মসূচি বা নির্দিষ্ট অর্থায়নের ঘোষণা এখনো পাওয়া যায়নি।
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে সোমবার (১২ অক্টোবর) শুরু হওয়া বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক সভায় বেসরকারি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। সভায় অংশ নিতে গিয়ে থাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
তিনি জানান, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালাল খাদ্য উৎপাদন ও শিল্পায়নের মতো খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে থাই ব্যবসায়ীদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি থাইল্যান্ডের রেনং বন্দর ও চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সামুদ্রিক যোগাযোগ বাড়িয়ে দুদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।