ষষ্ঠী থেকে দশমী ছড়িয়ে থাক ভালোবাসার অনুভব
আঁচল আর উত্তরীয়র কোনায় যাঁদের গিঁট পড়েছে, একাকী থাকার দিন যাঁদের শেষ হয়েছে গত পূজার পর আর এই পূজার আগেই, যাঁরা একটু একটু করে মানিয়ে নিচ্ছেন দুজনের জীবনে দুজনের উপস্থিতি, তাঁদের জন্য এবারের পূজার উৎসব একেবারে আলাদা। যুগলবন্দী মানেই আলাপ শেষে সুর প্রলম্বিত হওয়া। একে তো মস্তিষ্কে ডোপামিনের উত্তাল স্রোত, তার ওপর হেমন্তের আমেজে উৎসব; সুখের জোয়ারে ভেসে যাওয়া ছাড়া আর উপায় কী। ফলে এ বছর শুধু অঞ্জলি বা ঠাকুর দেখা নয়, প্রিয় মানুষের হাত ধরে উৎসবের দিনগুলোকে আরও একটু বিশেষ করে তোলার প্রয়াস থাকবে নিশ্চিত। উৎসবের আবহে প্রেম আরও গাঢ় হয়ে উঠবে তাঁদের কাছে।
ষষ্ঠী থেকে দশমী—পূজার এই কয়েকটা দিন যুগলেরা কোন দিন কেমন পোশাকে মণ্ডপে আলো ছড়াতে পারেন এবং কীভাবে দিনগুলো উদ্যাপন করতে পারেন, তা নিয়েই লম্বা গল্প হয়ে যাক!
ষষ্ঠীতে কফি ডেট
ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় ভিড় একটু কম থাকে। এই দিনটিতে মণ্ডপে মণ্ডপে একটু কম ঘুরে বরং দুজনে মিলে কোনো নিরিবিলি ক্যাফে বা রেস্তোরাঁয় গিয়ে জমিয়ে আড্ডা দিতে পারেন। পূজার বাকি দিনগুলোর পরিকল্পনাও সেরে নিতে পারেন। এই দিন সাজগোজ ও পরিকল্পনা—দুটোতেই থাকা চাই একটা হালকা এবং স্নিগ্ধ ভাব। ষষ্ঠীতে ভারী শাড়ি না পরে বেছে নিতে পারেন প্যাস্টেল শেডের জর্জেট বা শিফন শাড়ি। অথবা একটি কুর্তি ও পালাজ্জো সেট। হালকা মেকআপ আর কানে ছোট ঝুমকোতেই দারুণ দেখাবে। ওদিকে প্রাণেশ্বরকেও এই দিন রেহাই দেওয়া যাক জাঁকালো পোশাক পরার হাত থেকে। হালকা রঙের ক্যাজুয়াল শার্ট বা কুর্তার সঙ্গে ডেনিম প্যান্ট, এটুকুই যথেষ্ট।
- ট্যাগ:
- লাইফ
- বিজয়া দশমী