জাপানিরা আদর্শ সন্তান গড়ে তুলতে যে ৩ কৌশল বেছে নেন

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৪১

জাপানে সন্তান লালন-পালনের মূল ভিত্তি হলো ‘শিৎসুকে’ নামের একটি পদ্ধতি, যার আক্ষরিক অর্থ ‘আত্মশৃঙ্খলা’। আমাদের দেশে শৃঙ্খলা বলতে যা বোঝায়, এটি তা থেকে অনেকটাই আলাদা। বকাঝকা না করে শান্তভাবে বুঝিয়ে এ পদ্ধতিতে শিশুদের শৃঙ্খলা ও শিষ্টাচার শেখানো হয়।


জাপানিরা অমনোযোগী শিশুকে বকাঝকা না করে তাদের একাগ্রতা বাড়াতে বিশেষ কিছু কাজ করেন। এতে ফল হয় খুব দ্রুত। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনপ্রিয় ডিজিটাল মিডিয়া ওয়েবসাইট আপওয়ার্দির এক নিবন্ধে লেখিকা সেসিলি নোবলার বিষয়টি তুলে ধরেন। নিচের এই তিনটি নিয়ম বা কৌশল মেনে আপনিও আপনার সন্তানকে শৃঙ্খলা ও শিষ্টাচার শিক্ষা দিতে পারেন।


১. সন্তানের মধ্যে যে আচরণ দেখতে চান, নিজেই তার আদর্শ উদাহরণ হয়ে উঠুন


জাপানিরা বিশ্বাস করেন, শিশুরা দেখে শেখে। বিশেষ করে মা–বাবাকে যে রকম আচরণ করতে দেখে, শিশুদের আচরণও সেভাবে গড়ে ওঠে। আপনি যদি চান আপনার সন্তান শান্ত স্বভাবের হোক, তবে আগে আপনাকেও শান্ত থাকতে হবে। আপনি যদি চান সন্তান বিনয়ী হোক, তবে হতাশাজনক পরিস্থিতিতে আপনাকেও বিনয়ী আচরণ করতে হবে।


আপনি যদি চান রাগের মাথায়ও আপনার সন্তান চিৎকার-চেঁচামেচি না করুক, তবে রাগের সময় আপনারও মেজাজ হারানো চলবে না। রাগ হলেই আমরা শিশুদের বকাঝকা করি। রূঢ় আচরণে শিশুরা ভয় পায়।


কিন্তু মা–বাবা কী বলতে চাইছেন, তা বোঝে না। শিশুরা ভুল করলে রাগ না দেখিয়ে, ধৈর্য ধরতে শিখুন। রাগ কমলে শিশুকে কাছে ডেকে ভালোবাসার সঙ্গে তার ভুল দেখান। ভুলের পরিণাম বুঝিয়ে বলুন। একবারে পরিবর্তন না এলেও ধীরে ধীরে শিশু বুঝবে। মা–বাবা রেগে চিৎকার করলে শিশুরাও তা–ই শেখে। তাঁদের অনুকরণ করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও