কয়লা উত্তোলনে সব ধরনের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে সরকার, চ্যালেঞ্জ বাস্তুসংস্থান
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবেলা ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে দেশের কয়লা উত্তোলন নিয়ে বিভিন্ন মহলে আবারো আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষত যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ায় দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অর্থনীতির ওপর চাপ কমাতে স্থানীয় কয়লা উত্তোলনে সব ধরনের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে সরকার। তবে সেক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ বাস্তুসংস্থানের ব্যবস্থাপনা। বিশেষত উন্মুক্ত পদ্ধতিতে (ওপেন পিট মাইনিং) কয়লা উত্তোলন করতে খনি এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষকে পুনর্বাসন; কৃষি জমি, সুপেয় পানি সংরক্ষণ ও পরিবেশগত-বাস্তুতান্ত্রিক প্রভাব সমন্বয়ের মতো জটিলতা সামনে আসে। এসব বিষয় সংবেদনশীল ও প্রযুক্তিগতভাবে পর্যালোচনা করে নিজস্ব খনিজ সম্পদ ব্যবহারে কীভাবে সামনে এগোনো যায়, সেটিই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ থেকে খোদ সরকারের সংশ্লিষ্টরা।
দেশে মোট পাঁচটি কয়লা খনিতে ৭৮০ কোটি টনের মতো কয়লা মজুদ রয়েছে। প্রতি টন কয়লার দাম ১৩৬ ডলার ধরলে এ পরিমাণ কয়লার মূল্য (বড়পুকুরিয়ার বর্তমান কয়লার টন হিসাবে) ১ লাখ ৬ হাজার ৮০ কোটি ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৩০ লাখ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ কয়লা উত্তোলন করা গেলে দেশের অর্থনীতি ও জিডিপির আকারও বড় হবে।
- ট্যাগ:
- ব্যবসা ও অর্থনীতি
- জ্বালানি সংকট