ইউরোপজুড়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি যেন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের মাত্র এক সপ্তাহের চিত্র লক্ষ করা যাক। পোল্যান্ড নতুন করে যুদ্ধের সতর্কবার্তা জারি করেছে। জার্মানি চালিয়েছে সামরিক মহড়া ও জাতীয় মহড়া। বাল্টিক অঞ্চলজুড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সামরিক অনুশীলন। আর হামলা হলে কীভাবে রাজধানী ভিলনিয়াসের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হবে—লিথুয়ানিয়া প্রকাশ করেছে তার বিশদ পরিকল্পনা।
এদিকে ফিনল্যান্ড সরকার তো যুদ্ধের প্রচ্ছন্ন শঙ্কায় পুরোপুরি মাতোয়ারা। তারা নাগরিকদের বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে যে যুদ্ধ যে অচলাবস্থাই নিয়ে আসুক না কেন, মানসিকভাবে ও বাস্তবে তার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এলিসি প্রাসাদে দলীয় নেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের একত্র করেন। সেখানে ফরাসি গোয়েন্দাপ্রধানরা বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ‘দ্রুত অবনতির’ একটি চিত্র তাঁদের সামনে তুলে ধরেন।
অন্যদিকে ন্যাটো এখন কোনো গোপনীয়তা না রেখেই রাশিয়ার নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, সাইবার হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং ড্রোন হামলার বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা করছে। তবে ইউরোপের সরকারগুলোর এই ‘যুদ্ধ উন্মাদনা’ মহাদেশটির সাধারণ শ্রমিক ও নাগরিকদের খুব একটা প্রভাবিত করতে পারছে না।