দেশের কোথায় বাল্যবিয়ে বেশি, কোথায় কম

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮

জিম্বাবুয়ের মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী ন্যারাদজাই গুমবোনজভান্দা একবার বলেছিলেন, ‘আমি বাল্যবিয়েকে শিশু ধর্ষণ বলি।’ বাস্তব পরিস্থিতি তার এই কথার মতোই নির্মম। বাংলাদেশে এখনো অনেক মেয়ের শৈশব সংকুচিত হয়ে আসে দারিদ্র্য, সহিংসতা, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যয়, বয়ঃসন্ধির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া সামাজিক প্রত্যাশা এবং শেষ পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই বিয়ের চাপে। 


এই প্রতিবেদনে আমরা তুলে ধরেছি, কোন বিষয়গুলো মেয়েদের বাল্যবিয়ের দিকে ঠেলে দেয়, কী কারণে তারা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না, সহিংসতা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বে থাকা ব্যবস্থাগুলো কেন ব্যর্থ হয় এবং পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বেড়ে ওঠার অর্থ কেন প্রায়ই কম স্বাধীনতা নিয়ে বড় হওয়া। বাল্যবিয়ে বন্ধ করার অর্থ শৈশবকেই সুরক্ষিত করা। লক্ষ্যটি স্পষ্ট—মেয়েদের নিরাপদ রাখা, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা, নিজেদের ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার অধিকার রক্ষা করা এবং সর্বত্র, প্রতিটি মেয়ের বাল্যবিয়ে বন্ধ করা।


গত ২৫ বছরে বাংলাদেশে মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়েছে এবং দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে অগ্রগতির চিত্র এখনো হতাশাজনক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও