‘নানা’বিধ চারিত্রিক বিহ্বলতা

ঢাকা পোষ্ট নজরুল সৈয়দ প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৬

তখন খুব হিরোদের যুগ। অমিতাভ বচ্চন থেকে মিঠুন চক্রবর্তী একটু পুরোনো হয়ে গিয়ে সানি দেওল, জ্যাকি শ্রফ, অনিল কাপুর, সঞ্জয় দত্তরা বড় নায়ক হয়ে উঠছেন। সালমান-শাহরুখ-আমিরদের খান-জমানা শুরু হবে ক’দিন বাদেই।


‘আই অ্যাম আ ডিস্কো ড্যান্সার’, ‘জিমি জিমি আজা আজা’ প্রভৃতি গানে আর নাচে বিমোহিত দর্শক। হিরো মানেই হিরোইক সব কাণ্ড কারখানা। অ্যাংরি ইয়ং মেনের একটা ধারণা ভারতের ঘরে ঘরে সাঁটিয়ে দিয়েছেন দিলীপ কুমার থেকে অমিতাভ বচ্চন।


এইরকম সময়ে গোটা ভারতে চলছে তীব্র অস্থিরতা। অর্থনীতির বেখাপ্পা অবস্থা সামলাতে ভারত প্রস্তুত হচ্ছে মুক্ত বাজার অর্থনীতির জোয়ারে গা ভাসাতে, সেই তুমুল পরিবর্তনের সময়ে নানা পাটেকর এসে পাল্টে দিলেন সিনেমার অ্যাংরি ইয়াং ম্যানের খোলনলচে। কোনো সুপার ন্যাচারাল বা হিরোইক না, ন্যাচারালিস্টিক স্কুলিংয়ের সঙ্গে স্টাইলাইজেশন ঘুঁটে তৈরি করলেন নতুন এক দৃশ্যরূপ। হিরোর বদলে প্রোটাগনিস্ট, নায়কের বদলে চরিত্রকে প্রধান করে তুললেন।


গোটা সিনেমায় একটা জিনস আর সাদা শার্ট পরে অভিনয় নামিয়ে দিলেন! ‘অঙ্কুশ’-এ নানা পাটেকর নিজের চরিত্রকে এমন এক স্নায়বিক তীব্রতা দিয়েছিলেন, যাতে তাকে ভয় পায় দর্শক, আবার রাগ বা রাগের কারণটাও বোঝে। সামাজিক অপমান, ব্যর্থতা আর অসহায়ত্বের মিশ্রণে গড়ে ওঠা ক্ষোভটা শুধু নায়কোচিত অস্ত্র না বানিয়ে একে মানুষের ক্ষত আর দুর্বলতাও করে তুললেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও