সম্পর্কের সমীকরণ: কীভাবে চিনবেন বন্ধুত্বের আসল-নকল

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৯

মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, সুস্থ ও খাঁটি বন্ধুত্ব মানুষের মানসিক চাপ কমায় এবং আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে। বিপদে-আপদে কিংবা আনন্দের মুহূর্তে একজন সত্যিকারের বন্ধু পাশে থাকা মানে বড় এক মানসিক শক্তি। কিন্তু সব মানুষ কি মন থেকে বন্ধুত্ব বজায় রাখে? আমাদের আশপাশে এমন অনেক মানুষ থাকেন, যাঁরা বন্ধুর মতো আচরণ করলেও ভেতরে শুধু নিজেদের স্বার্থকেই বড় করে দেখেন। তাঁদেরকেই বলা হয় ফেক ফ্রেন্ড বা ভুয়া বন্ধু। মনস্তত্ত্ব ও জীবনযাত্রাবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সুযোগসন্ধানী বা নকল বন্ধুদের চেনার কিছু স্পষ্ট লক্ষণ রয়েছে। সম্পর্কের শুরুতে এই সংকেতগুলো ধরতে পারলে নিজেকে বড় ধরনের মানসিক আঘাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব।


শুধু প্রয়োজন বা সুবিধাতেই তাঁদের উপস্থিতি


নকল বন্ধুদের চেনার অন্যতম প্রধান উপায় হলো তাঁদের যোগাযোগ করার সময়। তাঁরা কখনো আপনার সুবিধা-অসুবিধা জানতে ফোন করবে না। কিন্তু কোনো কাজে আপনাকে দরকার, অমনি তাঁরা হাজির! আপনার কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁরা অজুহাতের পাহাড় দাঁড় করাবেন এবং অলৌকিকভাবে উধাও হয়ে যাবেন।


একপক্ষীয় যোগাযোগ ও কথোপকথন


যেকোনো সুস্থ সম্পর্ক চলে আদান-প্রদানের ভিত্তিতে। কিন্তু নকল বন্ধুর সঙ্গে কথা বলার সময় খেয়াল করবেন, পুরো আলোচনাটিই ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁদের জীবন, সমস্যা এবং মতামত ঘিরে। আপনার কেমন দিন কাটল, আপনি কেমন আছেন, তা জানার ব্যাপারে তাঁদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ থাকে না।


পরচর্চা ও গোপনীয়তা ভঙ্গ


যে মানুষটি আপনার সামনে বসে অন্য কোনো বন্ধুর গোপন কথা ফাঁস করে দিচ্ছে বা তাঁদের নামে ‘গিবত’ করছে, আপনার অনুপস্থিতিতে তিনি আপনার নামেও একই কাজ করছেন অন্যদের কাছে। নকল বন্ধুরা প্রায়শই পিঠের পেছনে মিথ্যা ছড়ায় কিংবা আপনার বিশ্বাস ভেঙে অন্যদের কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করে দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও