অভিজাত এলাকার বহু ভবনে নেই সেপটিক ট্যাংক, দূষিত হচ্ছে লেক-খাল

ঢাকা পোষ্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৮

রাজধানীর অভিজাত আবাসিক এলাকা বলতে সাধারণত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও পরিকল্পিত নগরজীবনের ছবিই ভেসে ওঠে। কিন্তু এই ঝকঝকে পরিবেশের নেপথ্যে গড়ে উঠেছে পয়োনিষ্কাশনের গুরুতর সংকট। গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনের মতো বিত্তবান এলাকার অসংখ্য ভবনে নেই পর্যাপ্ত সেপটিক ট্যাংকের ব্যবস্থা। এর ফলে এসব ভবনের বর্জ্য সরাসরি মিশছে লেক ও খালের পানিতে।


গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে মূলত তিন বছর মেয়াদে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে তা টেনে নেওয়া হয়েছে ১৬ বছর পর্যন্ত। একই সঙ্গে প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫০ কোটি টাকা। এত দীর্ঘ সময় ও বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও রাজধানীর সবচেয়ে অভিজাত এলাকার এই জলাশয় দূষণমুক্ত হয়নি।


এছাড়া প্রকল্পটির বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে যেসব অডিট আপত্তি তোলা হয়েছিল, তার একটি বড় অংশ এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। রাজউক ও সিটি কপোর্রেশনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবই এর মূল কারণ।


এর ফলে একদিকে জলাশয়গুলোর দূষণ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্যও সৃষ্টি হচ্ছে নতুন ঝুঁকি। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা ওয়াসা ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি একটি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী এসব এলাকার প্রায় ৬৪ শতাংশ ভবনে সেপটিক ট্যাংকের কোনো অস্তিত্বই নেই। গুলশান-বনানী এলাকায় রাজউকের তত্ত্বাবধানে থাকা ভবনগুলোর ড্রেনেজ ও স্যুয়ারেজ লাইনের প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে যাচাই করতে ১০টি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছিল। টিমগুলো ওই অঞ্চলের মোট ৪ হাজার ৪০৯টি ভবন পরিদর্শন করে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও