বিশ্ব ডাক দিবস আজ: বাড়িতে পণ্য পৌঁছে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ডাক বিভাগ
চিঠি লেখা ও আদান-প্রদানের দিন আর নেই। মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগের বিস্তারে ব্যক্তিগত চিঠির ব্যবহার কমেছে। তাই চিঠি পরিবহনে আগের মতো ব্যবস্থা নেই ডাক বিভাগের। এই বাস্তবতায় চিঠির বদলে এখন পণ্য পরিবহনকে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। বিশেষ করে দ্রুত পণ্য পরিবহনের সেবা ‘স্পিড পোস্টের’ মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।
স্পিড পোস্ট হলো ডাক বিভাগের দ্রুত পার্সেল পরিবহন সেবা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পণ্য, নথি ও পার্সেল ডাকঘরে বুকিং নেওয়ার পর ডাক বিভাগের প্রচলিত পরিবহন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গন্তব্যে পাঠানো হয়। পার্সেলের অবস্থান শনাক্ত করতে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও ট্রেসিংয়ের সুবিধাও রয়েছে। দেশের প্রচলিত ডাক পরিবহন রুট ব্যবহার করে এসব পার্সেল পরিবহন করা হচ্ছে। যেকোনো পোস্ট অফিস থেকে পণ্য পাঠানো যাচ্ছে গ্রাহকের কাছের পোস্ট অফিসে। আর গ্রাহক পোস্ট অফিসে গিয়ে ওই পণ্য সংগ্রহ করতে পারছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব সাব-পোস্ট অফিস, বুকিং কাউন্টার ও ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস থেকে স্পিড পোস্ট পার্সেল বুকিং চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে ডাক বিভাগ।
ডাক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আনাচ-কানাচে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের কারণে দুর্গম অঞ্চলেও পার্সেল পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। বর্তমানে প্রধান ডাকঘর ও উপজেলা ডাকঘরে পার্সেল ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে।
ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘স্পিড পোস্টে আমরা খুব ভালো সাড়া পেয়েছি। শুধু আমের মৌসুমে ৩০০ টনের বেশি মৌসুমি ফল পরিবহন করেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য হোম ডেলিভারি চালু করা। পাশাপাশি ক্যাশ অন ডেলিভারি সেবাও চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য কিছু কার্যক্রম পাইলটিং পর্যায়ে রয়েছে।’
- ট্যাগ:
- বাংলাদেশ
- পণ্য পরিবহন
- বিশ্ব ডাক দিবস