ছিনতাইকারী ধরে তরুণদের দল, আছে পোশাক, চালায় অভিযান

প্রথম আলো টঙ্গী প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন তরুণ এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন। ওই ব্যক্তি নিজের নাম বলছেন আনোয়ার ওরফে ‘ব্লেড আনোয়ার’।


তরুণেরা আটক ব্যক্তিকে টঙ্গীর ছিনতাইকারীদের উদ্দেশে বার্তা দিতে বলছেন। তখন আনোয়ার বলেন, ‘টঙ্গীতে কেউ ছিনতাই করতে আইবেন না। মাইর‍্যা হাড্ডি ভাইঙ্যা ফ্যালাইবো।’


ভিডিওতে দেখা যায়, এ সময় ক্যামেরার বাইরে থেকে কেউ একজন জিজ্ঞেস করছেন, ‘কারা ভাইঙ্যা ফ্যালাইবো?’ আনোয়ারের উত্তর, ‘পাবলিক।’


এরপর তরুণেরা আনোয়ারকে বাংলাদেশ ইয়ুথ রেভল্যুশন নামের একটি সংগঠনের নাম বলতে বলেন। আনোয়ার সেটি বলার চেষ্টা করছিলেন। ভিডিওর শেষ সেখানেই।


ঘটনাটি গত ১৬ আগস্টের। ঘটেছে গাজীপুরের টঙ্গীতে। বাংলাদেশ ইয়ুথ রেভল্যুশন নামে যে সংগঠনের কথা বলা হচ্ছিল, সেটি টঙ্গী এলাকার কিছু তরুণ গঠন করেছেন।


বাংলাদেশ ইয়ুথ রেভল্যুশনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ফাহাদ ইসলাম টঙ্গী সরকারি কলেজের স্নাতক পর্যায়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা মূলত ছিনতাই, মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাজ করেন। জড়িত ব্যক্তিদের হাতেনাতে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।


ফাহাদ ইসলাম বলেন, তাঁদের দলে টঙ্গী এলাকায় ২৫০ জন সদস্য কাজ করছেন। এ ছাড়া সদস্য হতে আরও ৭০০টির মতো জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা পড়েছে।


বাংলাদেশ ইয়ুথ রেভল্যুশনের ফেসবুক পেজের অনুসারী ৫৪ হাজার। ছিনতাইকারী, মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের ধরে তারা নিয়মিত ফেসবুকে ভিডিও দেয়। ভিডিওগুলোর হাজার হাজার ভিউ হয়। দলের সদস্যরা নির্দিষ্ট পোশাক পরে টহল দেন, অভিযানে অংশ নেন। পুলিশের সঙ্গেও তরুণদের দলটির পোশাক পরা সদস্যদের দেখা যায়। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটাও থাকে। কখনো কখনো ছিনতাইকারী সন্দেহে মারধর এবং অপমানজনক শাস্তি দেওয়া হয়।


অবশ্য প্রশ্ন উঠেছে, পুলিশের কাজ কেন তরুণেরা করবেন। কেউ কেউ বলছেন, অপরাধী ধরার কাজ সাধারণ মানুষের হাতে দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। তরুণদের ওই দলের কেউ নিরীহ মানুষকে হয়রানি করবেন না, ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করবেন না—এমন নিশ্চয়তা কে দেবেন। সন্দেহভাজন কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে ভিডিও প্রচার করাও অপরাধ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও