এলপিজি বিক্রিতে কারসাজি

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিলিন্ডারজাত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করলেও তা মানছেন না বিক্রেতারা। তাঁরা আগের মতোই অতিরিক্ত দামে গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। ব্যবসায়ীদের এই অতিমুনাফায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্রেতারা।


কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দামবৃদ্ধি এবং বিইআরসির দাম বাড়িয়ে নতুন দাম করার পরও তা কার্যকর না হওয়ায় ক্রেতারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। তাঁরা বলছেন, বিইআরসির দুর্বল তদারকির কারণেই বিভিন্ন স্তরের বিক্রেতারা মিলেমিশে কারসাজি করে ক্রেতাদের পকেট কাটছে।
আমদানি পর্যাপ্ত থাকলেও এলপি গ্যাসের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি শুরু হয়েছে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে। সরকার তদারকি শুরু করেছে ২০ সেপ্টেম্বরের পর। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসিও লাইসেন্সধারী কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। কোম্পানিগুলো এলপি গ্যাসের সংকট নেই বলে জানিয়েছে। এরপরও সংকট কাটেনি। তবে কারা এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্যবৃদ্ধির কারসাজির সঙ্গে জড়িত তা এখনো শনাক্ত হয়নি বলে জানা গেছে।


সেপ্টেম্বরে ১২ কেজি গ্যাসের সিলিন্ডারের বিইআরসির বেঁধে দেওয়া দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু সংকটের অজুহাতে বিক্রি করা হয় ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত। কোম্পানিগুলো সংকটের জন্য দায়ী করে ডিলার, পরিবেশক ও বিক্রেতাদের। আর এসব স্তরের ব্যবসায়ীরা দায়ী করেন কোম্পানিগুলোর সরবরাহ কমানোকে। সংকট কাটাতে ও ক্রেতাকে দামে লাগাম টানতে ৪ অক্টোবর বিইআরসি এলপি গ্যাসের দাম কেজিতে ২১ টাকা বাড়ায়। এতে ১২ কেজি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম আগের চেয়ে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কোথাও এই দাম মানা হচ্ছে না। গ্রাহকদের স্থানভেদে ও কোম্পানিভেদে কিনতে হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও