You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এশিয়ান গেমস : ২০ কোটি টাকার নয়, প্রশ্নটা পরিকল্পনার

জাপানের আইচি-নাগোয়ায় ২০তম এশিয়ান গেমসের পর্দা নেমেছে রোববার। বাংলাদেশের জন্য এবারের আসর শেষ হয়েছে মাত্র একটি ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে। উশুর নারী ৫২ কেজি বিভাগে জিন্নাত আক্তারের পাওয়া পদকটিই বাংলাদেশের একমাত্র অর্জন। তবে এই পদকের গুরুত্ব কম নয়। ১৯৮৬ সালের সিউল এশিয়ান গেমসে বক্সার মোশাররফ হোসেনের ব্রোঞ্জের ৪০ বছর পর ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের কোনো ক্রীড়াবিদের এটাই প্রথম পদক।

কিন্তু সামগ্রিক বিবেচনায় এবারের এশিয়ান গেমস বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য প্রত্যাশা পূরণের আসর নয়। ২২টি ডিসিপ্লিনে ১৮৭ ক্রীড়াবিদ অংশ নিয়েছেন। কোচ ও কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশ থেকে জাপানে গিয়েছিল ২৬০ সদস্যের বহর। অংশগ্রহণের ব্যাপ্তি বড় হলেও পদকের জায়গায় সেই অনুপাতে সাফল্য আসেনি।

এখন সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে প্রায় ২০ কোটি টাকা খরচের কথা। এক ব্রোঞ্জ পদকের বিপরীতে ২০ কোটি টাকা—হিসাবটি শুনলে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। কিন্তু ক্রীড়ায় পদকের দাম এভাবে হিসাব করা যায় না। এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া মানে শুধু জাপানে গিয়ে কয়েকটি ম্যাচ বা ইভেন্টে অংশ নেওয়া নয়; প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ, বিদেশে প্রতিযোগিতা, সরঞ্জাম, কোচ, আবাসন, যাতায়াত—সব মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের বিষয়।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, ২০ কোটি টাকা এশিয়ার ক্রীড়া শক্তিগুলোর বিনিয়োগের তুলনায় আদৌ বড় অঙ্ক কি না। ভারতের উদাহরণই যথেষ্ট। ২০২২ সালের এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসের প্রস্তুতির জন্য দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয় শুধু খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ, বিদেশি প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম ও সহায়ক কর্মীদের পেছনে দুইশত কোটির কাছাকাছি রুপি বরাদ্দ করেছিল। অর্থাৎ ভারতের ক্ষেত্রে শুধু দুটি বড় আসরের প্রস্তুতিতেই বাংলাদেশের এবারের পুরো এশিয়ান গেমস অভিযানের বাজেটের বহু গুণ অর্থ ব্যয় হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন