কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন শুধু প্রযুক্তির জগতে সীমাবদ্ধ নেই। পড়াশোনা, গবেষণা, লেখালেখি থেকে শুরু করে জটিল বিষয় সহজভাবে বোঝানো শিক্ষার্থীদের নানা কাজে এআই ব্যবহার বাড়ছে। একটি প্রশ্ন লিখলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে উত্তর, উদাহরণ কিংবা অনুশীলনের সুযোগ পাওয়া যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, ভবিষ্যতে কি এআই একজন শিক্ষকের জায়গা নিতে পারবে?
এআইয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো দ্রুত তথ্য ও ব্যক্তিভিত্তিক সহায়তা। একজন শিক্ষার্থী কোনো বিষয় বুঝতে না পারলে একই প্রশ্ন বারবার করতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, উদাহরণ কিংবা অনুশীলনী তৈরি করেও নিতে পারে। ভাষা শেখা, গণিতের সমস্যা সমাধান, প্রোগ্রামিং কিংবা কোনো জটিল ধারণা বোঝার ক্ষেত্রেও এআই কার্যকর সহকারী হতে পারে। শিক্ষকদের জন্যও এটি পাঠ পরিকল্পনা, প্রশ্নপত্র তৈরি, শিক্ষাসামগ্রী প্রস্তুত এবং শিক্ষার্থীদের কাজ বিশ্লেষণে সময় বাঁচাতে পারে।