You have reached your daily news limit

Please log in to continue


তার আগে বিমানবন্দর ঠিক করুন

সম্প্রতি আমার জার্মানি-প্রবাসী ছোট খালা, তাঁর স্বামী ও তিন সন্তান দেশে আসেন। তাঁরা সাধারণত বছরে একবার দেশে আসেন। সবারই জার্মানির পাসপোর্ট। কিন্তু এবার ঢাকা বিমানবন্দরে নেমে তাঁদের খুবই বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়।

তাঁদের পাসপোর্ট দেখে ইমিগ্রেশন অফিসার জিজ্ঞেস করলেন, এটা কোন দেশের পাসপোর্ট? তাঁরা বললেন, জার্মানি। অফিসারের পাল্টা প্রশ্ন, কোথায় লেখা আছে? তাঁরা দেখালেন যে জার্মান ভাষায় লেখা আছে। কিন্তু অফিসার জার্মান ভাষা যেহেতু পড়তে পারেন না এবং জার্মানির পাসপোর্টে যেহেতু ইংরেজিতে দেশের নাম লেখা থাকে না, ফলে তাঁকে কিছুতেই কনভিন্স করা যাচ্ছিল না যে এগুলো জার্মানির পাসপোর্ট। ইমিগ্রেশন অফিসার তাঁদের দীর্ঘ সময় জেরা করেন। তারপর তাঁরা ছাড়া পান।

অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ইমিগ্রেশনে চাকরি করেন অথচ জার্মানির পাসপোর্ট চেনেন না। তাছাড়া জার্মানি দেশটি লাতিন আমেরিকা বা ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কোনো অপরিচিত রাষ্ট্র নয়। বরং ইউরোপের যেসব দেশে বাংলাদেশের প্রচুর মানুষ বসবাস করেন, জার্মানি তার একটি। সেরকম একটি দেশের পাসপোর্ট দেখে চেনেন না। পাসপোর্টের কভার পৃষ্ঠায় জার্মান ভাষায় ‘ডয়েচল্যান্ড’ লেখা আছে এবং ‘ডয়েচল্যান্ড’ যে জার্মানি—এই সামান্য তথ্যটুকুও একজন ইমিগ্রেশন অফিসার জানবেন না, সেটি খুবই দুঃখজনক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন