নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনেও হৃদরোগের ঝুঁকি, বছরে যেসব পরীক্ষা করাবেন

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৫৪

হার্ট অ্যাটাক কখন, কাকে আঘাত করবে তা সবসময় বয়স দেখে বোঝা যায় না। একসময় হৃদরোগকে মূলত বয়স্কদের সমস্যা মনে করা হলেও এখন কম বয়সীদের মধ্যেও হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনিয়মিত জীবনযাপন, ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও অস্বাভাবিক কোলেস্টেরলের মতো কারণ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। পরিবারের সদস্যদের হৃদরোগের ইতিহাস থাকলেও বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।


অনেক ক্ষেত্রেই হৃদরোগের ঝুঁকি দীর্ঘদিন নীরবে বাড়তে থাকে। তাই শুধু শরীরে উপসর্গ দেখা দেওয়ার অপেক্ষা না করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ঝুঁকি মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোন পরীক্ষা কত ঘন ঘন প্রয়োজন, তা বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, অন্যান্য রোগ ও ব্যক্তিগত ঝুঁকির ওপর নির্ভর করে।


লিপিড প্রোফাইল


হৃদরোগের ঝুঁকি বোঝার ক্ষেত্রে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা গুরুত্বপূর্ণ। লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষায় সাধারণত মোট কোলেস্টেরল, এলডিএল, এইচডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মতো উপাদানের মাত্রা জানা যায়।


বিশেষ করে এলডিএল বা ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল বেশি থাকলে ধমনিতে চর্বিজাতীয় পদার্থ জমার ঝুঁকি বাড়তে পারে। দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরল হৃদ্‌রোগের ঝুঁকির একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। পরিবারের কারো অল্প বয়সে হৃদরোগ বা খুব বেশি কোলেস্টেরলের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে আরও আগে বা ঘন ঘন পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও