এত সংকটে সরকারি ১৬ মেডিকেল কলেজ, তবু আসছে আরও

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২২

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালটির অবস্থান শহরের প্রায় কেন্দ্রস্থলে। এই হাসপাতালের ভেতরেই হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ। সরকারি কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালে। ১০ বছর পরও কলেজের নিজস্ব জমির বন্দোবস্ত হয়নি। আটতলা হাসপাতাল ভবনের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও অষ্টম তলায় মেডিকেল কলেজ চলছে।


নিজস্ব জমি, ভবন ও ক্যাম্পাসের ব্যবস্থা না করেই হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৮ সালে। শিক্ষাদান চলে তিন হাজার বর্গফুট জায়গায়, পাঁচটি শ্রেণিকক্ষে। নেই প্রয়োজনীয় শিক্ষক, ব্যবহারিক শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাবরেটরি। নেই শিক্ষার্থীদের আবাসনব্যবস্থা বা হোস্টেল।


মেডিকেল কলেজটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে অসন্তুষ্টি। এমনই একজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রত্যেক মেডিকেল কলেজের নিজস্ব হাসপাতাল থাকে। আমাদের কলেজের তা নেই। আমাদের নির্ভর করতে হয় সদর হাসপাতালের ওপর। কিন্তু এই হাসপাতালে রেজিস্ট্রার না থাকায় আমাদের কাজের তদারক করার কেউ নেই।’ উল্লেখ্য, হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন রেজিস্ট্রার।


মধ্যে সরকারি মেডিকেল কলেজ ৩৭টি। নিজস্ব জমি, অবকাঠামো ও শিক্ষকস্বল্পতা বা সংকটের মধ্যে আছে, এমন ১৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজ ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেছে প্রথম আলো। এসব কলেজ তুলনামূলকভাবে নতুন, প্রতিষ্ঠাকাল ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল। আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাসে এসব মেডিকেল কলেজ ঘুরে দেখেছেন প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা।


কলেজগুলোর মধ্যে আছে পাবনা, গোপালগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, পটুয়াখালী, হবিগঞ্জ, নীলফামারী, নেত্রকোনা, নওগাঁ, মাগুরা, চাঁদপুর ও সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও