You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পূর্বাভাসের চেয়ে টেকসই পরিকল্পনা জরুরি

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি নিয়ে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা যখনই হয়, তা সাধারণত দূরবর্তী পূর্বাভাসের ভাষায় সীমাবদ্ধ থাকে। বলা হয়, শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ সমুদ্রের পানি কত সেন্টিমিটার বাড়বে, কত শতাংশ উপকূলরেখা জলের নিচে তলিয়ে যাবে কিংবা কত লাখ মানুষ বা¯ ‘চ্যুত হবে।

এই বৈজ্ঞানিক প্রাক্কলনগুলো নিশ্চিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, তবে নীতি-কৌশল প্রণয়নের ক্ষেত্রে কেবল পূর্বাভাসের ওপর নির্ভর করা এক ধরনের বিশ্লেষণাত্মক অসম্পূর্ণতা তৈরি করে। কারণ এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকে ‘বর্তমান বাস্তবতা’ হিসেবে না দেখে কেবল ‘ভবিষ্যতের একটি সম্ভাব্য দুর্যোগ’ হিসেবে বিবেচনা করতে শেখায়। অথচ গতিশীল এই ব-দ্বীপ অর্থনীতির জন্য এটি কোনো কাল্পনিক ভবিষ্যৎ নয়, বরং প্রাত্যহিক সংকট।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা সবচেয়ে বিপন্ন দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপ, টুভালু ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের মতো ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো তাদের অস্তিত্বের সংকটের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বড় বদ্বীপ হিসেবে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। মালদ্বীপ, টুভালু, কিরিবাস ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র কয়েক ফুট উঁচুতে হওয়ায়, সম্পূর্ণ তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস এবং ভিয়েতনামের মতো বদ্বীপ অঞ্চলগুলোও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন