নারীর বিদেশযাত্রায় বিয়ে কেন শর্ত হবে?

জাগো নিউজ ২৪ তাহনিয়া ইয়াসমিন প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬

একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বিদেশে যেতে চান। তাঁর বৈধ পাসপোর্ট আছে, গন্তব্য দেশের প্রয়োজনীয় ভিসা বা প্রবেশের অনুমতি আছে, হাতে বিমান টিকিটও আছে। অর্থাৎ একজন আন্তর্জাতিক যাত্রীর কাছে প্রয়োজনীয় মৌলিক নথি থাকার কথা, সেগুলো তাঁর রয়েছে। তারপরও বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কাউন্টারে তাঁকে থামিয়ে জিজ্ঞেস করা হলো—বিয়ে হয়েছে কি না, পরিবার জানে কি না, কার সঙ্গে যাচ্ছেন, একা কেন যাচ্ছেন। এমনকি পরিবারকে ফোন করতেও বলা হলো। শেষ পর্যন্ত যদি তাঁর বিদেশযাত্রা আটকে যায়, তখন প্রশ্নটি কেবল একটি বিমানবন্দরের কাউন্টারে সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রশ্ন ওঠে রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রয়োগের সীমা নিয়ে।


একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী অবিবাহিত—এটি কি তাঁর বিদেশযাত্রার পথে আইনগত বাধা? তিনি একা যাচ্ছেন—এটি কি কোনো অপরাধ? তাঁর পরিবার জানে কি না—এটি কি বিদেশ যাওয়ার পূর্বশর্ত? নাকি আমাদের সামাজিক ধারণার কিছু অংশ এখনো এতটাই শক্তিশালী যে, একজন নারী নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিলেও কোথাও না কোথাও তাঁকে ‘অনুমতি’ নিতে হবে বলে ধরে নেওয়া হয়?


রাষ্ট্রের চোখে নারী আগে নাগরিক


একজন নারীর কোথায় যাওয়া উচিত, কার সঙ্গে যাওয়া নিরাপদ, কখন বাড়ি ফেরা ভালো—এসব নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন হতে পারে। বাবা-মা পরামর্শ দিতে পারেন, স্বজন সতর্ক করতে পারেন, বন্ধুরা সাবধান করতে পারেন। কিন্তু পরিবার আর রাষ্ট্র এক নয়। পরিবার ভালোবাসা ও উদ্বেগ থেকে সিদ্ধান্তের পরামর্শ দিতে পারে; রাষ্ট্র কোনো নাগরিকের স্বাধীনতা সীমিত করলে তা আইনের ভিত্তিতেই করতে হয়। আমার কাছে এই পার্থক্যটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও