দেশে ভিসা বাণিজ্যের অদৃশ্য বাজার ন্যূনতম ৩০ হাজার কোটি টাকা

www.bonikbarta.com প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১

এ অদৃশ্য বাজারের আকার নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই। তবে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা এবং মাঠপর্যায়ে পাওয়া দেশভিত্তিক ব্যয়ের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভিসা কেনাবেচা, মধ্যস্বত্বভোগীদের কমিশন ও বিভিন্ন পর্যায়ের অননুমোদিত লেনদেন মিলিয়ে এ বাজারের আকার বছরে অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকা


পাঁচ লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন নোয়াখালীর তৈয়ব আলী। এর মধ্যে সাড়ে তিন লাখ টাকাই ছিল ঋণের। বাকি টাকা জোগাড় করেছিলেন গরু ও স্ত্রীর গহনা বিক্রি এবং আত্মীয়স্বজন থেকে ধার করে। কথা ছিল সৌদি আরবের একটি প্রতিষ্ঠানে প্যাকেজিংয়ের কাজ করবেন তিনি। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর প্রায় দুই মাস কাজ ছাড়াই বসিয়ে রাখা হয় তাকে। পরে একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে অস্থায়ী কাজ দেয়া হলেও নিয়মিত বেতন পেতেন না। জীবিকার খরচ চালাতে একপর্যায়ে পরিবার থেকেও টাকা নিতে হয় তাকে। শেষ পর্যন্ত স্থায়ী কোনো কাজের ব্যবস্থা না হওয়ায় ছয় মাসের মধ্যেই দেশে ফিরে আসেন তৈয়ব।


পাঁচ লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন নোয়াখালীর তৈয়ব আলী। এর মধ্যে সাড়ে তিন লাখ টাকাই ছিল ঋণের। বাকি টাকা জোগাড় করেছিলেন গরু ও স্ত্রীর গহনা বিক্রি এবং আত্মীয়স্বজন থেকে ধার করে। কথা ছিল সৌদি আরবের একটি প্রতিষ্ঠানে প্যাকেজিংয়ের কাজ করবেন তিনি। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর প্রায় দুই মাস কাজ ছাড়াই বসিয়ে রাখা হয় তাকে। পরে একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে অস্থায়ী কাজ দেয়া হলেও নিয়মিত বেতন পেতেন না। জীবিকার খরচ চালাতে একপর্যায়ে পরিবার থেকেও টাকা নিতে হয় তাকে। শেষ পর্যন্ত স্থায়ী কোনো কাজের ব্যবস্থা না হওয়ায় ছয় মাসের মধ্যেই দেশে ফিরে আসেন তৈয়ব।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও