You have reached your daily news limit

Please log in to continue


দাবদাহে বছরে ক্ষতি প্রায় ৭৭ হাজার কোটি টাকা

দেশে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের ৬৬ শতাংশ শ্রমিক তীব্র দাবদাহজনিত ক্লান্তিতে ভোগেন। দাবদাহের কারণে কাজের সক্ষমতা কমে যাওয়া, আয় কমে যাওয়া ও অসুস্থতার ফলে বছরে দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৭৭ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ও প্রবণতা বাড়তে থাকায় এসব শ্রমিক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়ছেন। বিশেষ করে কিডনি ও হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন তাঁরা। যেসব শ্রমিক কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা আইনি কাঠামো, লিখিত চুক্তি ও স্থায়ী নিয়োগপত্র ছাড়াই সম্পূর্ণ মৌখিক সমঝোতার ভিত্তিতে দৈনিক বা চুক্তিভিত্তিক মজুরির বিনিময়ে কাজ করেন, তাঁদের অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক বলা হয়। 

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিআইএলএস) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক। সংখ্যায় তাঁরা প্রায় ৪০ মিলিয়ন বা চার কোটি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইআইইডি) এবং দেশীয় উন্নয়ন সংস্থা ওকআপের (ওকেইউপি) যৌথ গবেষণায় চরম তাপদাহের কারণে বাংলাদেশের নগরের অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে।

গত আগস্টে প্রকাশিত ‘হেলথ অ্যান্ড ইকোনমিক ইমপ্যাক্টস অব হিট স্ট্রেস অন ইনফরমাল ওয়ার্কার্স’ শীর্ষক যৌথ সমীক্ষায় দেখা গেছে, তীব্র গরমে উন্মুক্ত স্থানে কাজ করা শ্রমিকদের ৬৬.৪ শতাংশ এবং বদ্ধ স্থানে কাজ করা শ্রমিকদের ৬৬ শতাংশ তাপজনিত ক্লান্তিতে ভোগেন। এ ছাড়া তাপদাহ চলাকালে উন্মুক্ত স্থানে কাজ করা শ্রমিকদের ৩৬.১ শতাংশ এবং বদ্ধ স্থানে কাজ করা শ্রমিকদের ১৫.১ শতাংশ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন