ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইটে সহকারী পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা ব্যক্তি 'ইসলামপন্থী চরমপন্থায় দীক্ষিত' ছিলেন।
বুধবার যাত্রা শুরুর প্রায় দুই ঘণ্টা পর ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি ১৭ হাজার ফুটের (পাঁচ হাজার ২০০ মিটার) বেশি নিচে নেমে যায়। পরে যাত্রী ও ক্রুরা মিলে হামলাকারীকে পরাস্ত করে পুনরায় বিমানটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পান এবং সেটিকে নিরাপদে অবতরণ করে।
নেতানিয়াহু ফক্স নিউজকে বলেছেন, হামলাকারী 'খুব সম্ভবত' বিমানটিকে ভূপাতিত করতে চেয়েছিলেন বলে মনে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হামলাকারী ওমানের নাগরিক।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ঘটনাটির সঙ্গে কোনো 'সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা উদ্দেশ্যের' যোগসূত্র আছে কি না, তা জানতে সেখানে তদন্ত শুরু হয়েছে।
বিমানটি সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করেছিল। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চিকিৎসকরা ছাড়পত্র দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে পাইলট ও সহকারী পাইলট দু'জনকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, যে উড়োজাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে সেটি দেশটিতে নিবন্ধিত এবং তাদের পতাকাবাহী হওয়ায় ঘটনাটি তাদের এখতিয়ারভুক্ত।
নেতানিয়াহু ফক্স নিউজকে বলেন, যাত্রী ও ক্রুরা হামলাকারীকে কাবু করে বেঁধে ফেলার পর তিনি উড়োজাহাজের ক্রুদের উদ্দেশে বারবার বলছিলেন, "আমাকে মেরে ফেলো, আমাকে মেরে ফেলো।"
নেতানিয়াহুর ভাষ্য, "সুতরাং, এটা প্রশ্নাতীতভাবে স্পষ্ট যে তিনি আত্মঘাতী হতে চেয়েছিলেন।"