মা গৃহপরিচারিকা, থাকেন ভাড়া বাসায়, স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে গেল শিক্ষক পদে নিয়োগ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৫৩

মিশন আচার্য (৩০) ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকেন। মা ময়না আচার্য গৃহপরিচারিকার কাজ করে তাঁকে পড়ালেখা করিয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির পরীক্ষায় অংশ নেন মিশন আচার্য। নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্তও হয়েছেন তিনি। কিন্তু নিজেদের কোনো ভিটেবাড়ি না থাকায় নিয়োগপত্র পাচ্ছেন না। এই নিয়োগপত্রের আশায় সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরছেন তিনি।


মিশন আচার্য জানান, তাঁর সঙ্গে যে ১৮২ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। দুজন নিয়োগপত্র পাননি, যাঁদের একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। আর তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে স্থায়ী ঠিকানা না পেয়ে। স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় চাকরির আবেদনে ভাড়া বাসার ঠিকানা দিয়েছিলেন তিনি।


গতকাল বুধবার সকালে জেলা শিক্ষা অফিসের সামনে কথা হয় মিশন আচার্যের সঙ্গে। তিনি বলেন, তাঁরা দুই ভাই। বড় ভাই শৈলেন আচার্য অন্যের সঙ্গে ভাগে কাপড়ের ব্যবসা করেন। বাবা নন্দ আচার্যের বাড়ি ছিল যশোর। তাঁর মা ময়না আচার্যের সঙ্গে বিয়ের পর ঝিনাইদহে থাকতেন। মাকে কখনো যশোর নিয়ে যাননি। ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগানে ভাড়া বাড়িতে ছিল তাঁদের সংসার। মায়ের কাছ থেকে তিনি যতটুকু শুনেছেন, ঝিনাইদহে থাকা অবস্থায় তাঁর বড় ভাইয়ের জন্ম হয়। তিনি মায়ের গর্ভে এলে বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে যান, আর কখনো ফিরে আসেননি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও