‘মনে হচ্ছিল উড়োজাহাজ না, রোলারকোস্টার, হুড়মুড়িয়ে নিচে নামছিল’

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২

যাত্রীবোঝাই উড়োজাহাজটি তখন মাঝ আকাশে। সবকিছু ঠিকই আছে। নির্বিঘ্নে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সেটি। হঠাৎই ছন্দপতন। হুট করে উড়োজাহাজটি দ্রুত নিচের দিকে নেমে আসতে শুরু করে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। যদিও তখনো যাত্রীদের কেউই বুঝতে পারেননি আসলে কী ঘটছে। কত বড় বিপদ ঘটেছে ককপিটে।


ঘটনাটি গতকাল বুধবারের। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবে যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের যাত্রীবাহী এই উড়োজাহাজ। যাত্রী ছিলেন ১৭৪ জন। ঘটনার সময় উড়োজাহাজটি ওমানের আকাশসীমায় ছিল।


ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, ‘মাঝ আকাশে উড়োজাহাজটির একজন পাইলট অন্য পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেন। তিনি যাত্রীসহ উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করানোর চেষ্টা করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’


উড়োজাহাজে থাকা একজন ইসরায়েলি যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে নেতানিয়াহু জানান, ছুরিকাঘাতের ঘটনায় উড়োজাহাজটি ঘূর্ণিপাকে পড়ে যায়। ওই যাত্রী একজন ক্রুকে সঙ্গে নিয়ে ককপিটে ঢুকতে সক্ষম হন। তখন তাঁরা দুজন মিলে ছুরিকাঘাতকারী পাইলটকে আটকে ফেলেন। তিনি (হামলাকারী পাইলট) উড়োজাহাজের বিভিন্ন ব্যবস্থা অচল করার চেষ্টা করছিলেন।


একপর্যায়ে উড়োজাহাজে থাকা অন্য ক্রুরা ককপিটে ঢোকেন জানিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এরপর উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। সেটি ঘুরিয়ে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করানো হয়।


হামলাকারী পাইলটকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ—জানান নেতানিয়াহু।


উড়োজাহাজটির যাত্রী ছিলেন আলমগ ইতালি। বিবিসি নিউজ নাইটকে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে উড়োজাহাজটি রোলারকোস্টারের মতো হুড়মুড়িয়ে নিচের দিকে নেমে আসতে শুরু করে। মনে হচ্ছিল আমি যেন শূন্যে ভাসছি।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও