প্রচারণার মাঠে জামায়াত মনোনয়ন দ্বন্দ্বে বিএনপি

যুগান্তর প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫

কবে নাগাদ নির্বাচন হবে তার ঠিক-ঠিকানা না থাকলেও কে হচ্ছেন বিএনপির মেয়রপ্রার্থী, তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই বরিশালে। এরই মধ্যে এখানে মেয়র পদের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান থেকে সৃষ্ট এনসিপি এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত। তবে জটিলতা বেধেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপিকে নিয়ে। এখানে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে এখন পর্যন্ত মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চাইছেন বিএনপির ১১ জন নেতা। তাদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে ছিঁড়বে শিকে, সেটা অবশ্য বলা মুশকিল। তবে এবারের নির্বাচনে যে বিষয়টি সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে তা হলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের অনুপস্থিতি। দল থেকে প্রার্থী দেওয়া হলেও তিনি নিজে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার কথা জানিয়েছেন ইতোমধ্যে। সেক্ষেত্রে প্রার্থী নির্বাচনে সামান্যতম ভুল হলেও তার খেসারত দিতে হতে পারে বিএনপিকে।


জাতীয় নির্বাচনের মতো সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও নিজস্ব পদ্ধতি নিয়ে মাঠে নেমেছে জামায়াত। এরই মধ্যে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে তারা। দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসাইন হেলালকে দেওয়া হয়েছে মেয়র পদে মনোনয়ন। সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনেও হেলালকে বরিশাল সদর আসনে মনোনয়ন দিয়েছিলেন তারা। পরে অবশ্য চরমোনাই পীরের আসন হিসাবে সরে দাঁড়ায় জামায়াত। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন হেলাল। জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু হওয়া হেলালের প্রচার-প্রচারণা আর গণসংযোগ এখনো চলছে অব্যাহত গতিতে। ফলে প্রস্তুতি প্রশ্নে অন্য যে কারও চেয়ে এগিয়ে আছেন তিনি। সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী দল জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরাও আছেন মাঠে। প্রায় প্রতিদিনই মানুষের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন তারা। কৌশল হিসাবে প্রতি ওয়াক্তে আলাদা আলাদা মসজিদে নামাজ আদায় করছেন হেলাল। কুশল বিনিময় করছেন মুসল্লিদের সঙ্গে। যে কারও মৃত্যুর খবরে ছুটে যাচ্ছেন সেই বাড়িতে। অংশ নিচ্ছেন জানাজা কিংবা শেষবিদায়ে। খুব গোপনে অসহায় দরিদ্র মানুষকে সহায়তাও দিচ্ছে দলটি।


এখানে বাসদ-এর প্রার্থী হিসাবে আলোচনায় আছেন দেশব্যাপী পরিচিত শ্রমিক আন্দোলনের নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী। বঞ্চিত মানুষের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে যিনি বারবার হয়েছেন হামলা-মারধরের শিকার। ২০১৮-এর সিটি নির্বাচনে ভোট ডাকাতির প্রতিবাদ করতে গেলে মেরে তার হাত ভেঙে দেন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীরা। বিগত জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল সদর আসনে সংসদ-সদস্য প্রার্থী হয়ে প্রায় ২৩ হাজার ভোট পেয়েছিলেন মনীষা।


মেয়র পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এনসিপি। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে বিশিষ্ট আইনজীবী ও সমাজসেবক শেখ আব্দুল্লাহ নাসিরের নাম। মানবিক আইনজীবী নাসির তার পেশাগত জীবনে বহু দরিদ্র মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া এনসিপির মেয়রপ্রার্থী হিসাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে এম আনোয়ার সিকদারকে। দলীয় প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার পর থেকে মাঠে আছেন আনোয়ার। সবার দোয়া চেয়ে পোস্টার লাগানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে তার প্রচার-প্রচারণা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও