You have reached your daily news limit

Please log in to continue


প্রবীণ নিবাস: জীবন সায়াহ্নে কারো আশ্রয়, কারো স্বাধীনতা

“আমার আর যাওয়ার জায়গা নেই, কোথায় যাব? নিজের তো কোনো ঘরবাড়ি নেই। এটাই এখন আমার ঠিকানা। বুঝতে পারিনি শেষ বয়সে এসে যাওয়ার জায়গা থাকবে না। যদি জানতাম, হয়তো কিছু টাকা জমিয়ে রাখতাম। জীবনে যাদের একসময় বুকে আগলে রেখেছিলাম, তারা এখন আর খোঁজখবর রাখে না।”

চোখ মুছতে মুছতে কথাগুলো বলছিলেন ৭০ বছর বয়সী নাদিরা বেগম। প্রায় ১১ বছর ধরে পরিবারের বাইরে তার ঠিকানা ঢাকার আগারগাঁওয়ের প্রবীণ নিবাস।

অনুমতি নিয়ে তার কক্ষে ঢুকতেই পাশে রাখা কেটে রাখা পাকা পেঁপে এগিয়ে দিলেন খাওয়ার জন্য। এরপর নিজেই বলতে শুরু করলেন জীবনের পাওয়া-না পাওয়ার গল্প।

বিয়ের ১০ বছর পর স্বামী সন্তানদের নিয়ে আলাদা হয়ে যান নাদিরা। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সন্তানদের থেকেও আলাদা হয়ে যান।

সে সময় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পরে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে আবার বিয়ে করেন। তবে দ্বিতীয় স্বামী মারা যাওয়ার পর সেই ঘরেও তার আর ঠাঁই হয়নি।

“আমার ডিভোর্স হওয়ার পর আমি অনেকটা অস্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিলাম। আমার বাবা আমাকে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করেছেন। এর পর আবার এক ডাক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। উনি মারা যাওয়ার পর সেই ঘরের সন্তানেরা আমাকে আর ঘরে রাখতে চায়নি।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন