You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ক্ষুদ্রঋণ খাত: কী এমন ভেঙে পড়েছে, যে কারণে এত পরিবর্তন

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আইন সংশোধনের প্রস্তাবগুলো এত দিন আলাদাভাবে দেখা হচ্ছিল। সব একসঙ্গে সামনে রাখলে ছবিটা ভয়ানক। শুধু এমআরএ আইনেই ৪০টি সংশোধনীর প্রস্তাব এসেছে। কে প্রধান নির্বাহী হবেন, পর্ষদ থাকবে কি না, প্রতিষ্ঠানের নাম কী হবে, সুদ কত হবে, ভেতরে কোন বিভাগ থাকবে—খাতের প্রায় প্রতিটি দিকই এখন নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

ক্ষুদ্রঋণের জন্ম হয়েছিল ব্যাংকের বিকল্প হিসেবে। জামানত ছাড়া ঋণ, দ্রুত প্রক্রিয়া, মানুষের দুয়ারে সেবা ইত্যাদি উদ্দেশ্য সামনে রেখে। এখন সেই খাতকেই ব্যাংকের মতো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। এতে খাতটি ব্যাংকের মতো নিরাপদ হবে না; বরং যে গতি, উদ্ভাবন আর ঝুঁকি নেওয়ার সাহস একে দাঁড় করিয়েছে, সেগুলো হারাবে।

এর ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের সঞ্চয়ের সুদে বিগত বছরের কর দাবি করছে জরিমানাসহ। সিদ্ধান্তগুলো আসছে আলাদা জায়গা থেকে, আলাদা যুক্তিতে। কিন্তু ভার পড়ছে প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন