বৃষ্টি হলে বিপদ, না হলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের কঠিন পরীক্ষা
বৃষ্টিরও কি পক্ষপাত আছে!
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে বৃষ্টির সুবিধা নিতে হলে থাকতে হবে প্রতিপক্ষের চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে। তখন বৃষ্টিকে মনে হবে আশীর্বাদ। র্যাঙ্কিংয়ে নিচে থাকলে? মনে হবে, জীবন কী কঠিন!
অনেকটা মালয়েশিয়ান অলরাউন্ডার বীরানদীপ সিংয়ের মতো। বেচারা তিন বছর ধরে অপেক্ষা করেছেন বাংলাদেশের মতো একটি টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে খেলবেন বলে।
এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনাল কোরোগি স্পোর্টস পার্কে সেই বহু প্রতীক্ষিত মঞ্চটা তৈরিও করে দিয়েছিল। কিন্তু এরপর এল বৃষ্টি, যে বৃষ্টি বাংলাদেশকে তুলে দিল সেমিফাইনালে, মালয়েশিয়াকে পাঠিয়ে দিল বাড়ির পথে।
বৃষ্টি যে বাংলাদেশের ম্যাচেই এসেছে, তা নয়। জাপানের নিশিনে বৃষ্টি আসলে আগে থেকেই ছিল। বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া ম্যাচের আগের ৯টি ম্যাচের মধ্যে ৫টিই ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। সেই হিসাবে বলা যায়, বাংলাদেশই বৃষ্টির মধ্যে গিয়ে পড়েছে!
মাঠে খেলা গড়ালেও–বা কী হতো! মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ ১০০ ম্যাচ খেললে ৯৯ বারই জেতার কথা। মানে খেলে যেটা হতো, সেটা হয়তো এখন না খেলেই হয়েছে। তবে মাঠে ফল এলে অন্য একটা সুবিধা অবশ্য বাংলাদেশের হতো।
জাপানে যাওয়ার পর লিটন দাসের দলের ব্যাট-বলের সঙ্গে সংযোগটাই তো হচ্ছে না! বৃষ্টির কারণে এখন পর্যন্ত পুরোদমে অনুশীলনও করা হয়নি। একদিন টুকটাক অনুশীলন করেছে দল। সেই অনুশীলনও একটি ফুটবল মাঠে হয়েছে বলে নেটে ব্যাটিং–বোলিংয়ের সুযোগ ছিল না।
বিপদ হলো, বৃষ্টি বাংলাদেশের পিছু ছাড়ছে না। আগামীকাল বাংলাদেশ সময় সকাল ছয়টায় শুরু পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচেও আছে বৃষ্টির শঙ্কা। বৃষ্টি যদি এই ম্যাচও ভাসিয়ে নেয়, তাহলে সোনার লড়াই থেকে ছিটকে যাবে বাংলাদেশ।