You have reached your daily news limit

Please log in to continue


দাম বাড়ানোর পর কীভাবে জ্বালানি তেলের সংকট কেটে গেল, বিপিসির কাছে জানতে চাইল কমিটি

জ্বালানির ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিতে বিপিসিকে সুপারিশ করে কমিটি।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বৈঠকে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপর দেশে জ্বালানিসংকট সৃষ্টির কারণ সম্পর্কে বিপিসির ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। সূত্র জানায়, বৈঠকে বলা হয়, গত এপ্রিলে পেট্রলপাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। পরে তেলের দাম বাড়ানোর পর ওই কৃত্রিম সংকট কেটে যায়। তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনা না হলেও দাম বাড়ানোর পর কীভাবে সংকট কেটে গেল, তা জানতে চাওয়া হয়। বিপিসির তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যায় কমিটি সন্তুষ্ট হয়নি। এ বিষয়ে পরবর্তীকালে বিস্তারিত জানাতে বলা হয়েছে।

সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকটের ফলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিপিসি। একই সঙ্গে সমস্যা সমাধানে কিছু সম্ভাব্য উপায়ের কথাও তারা তুলে ধরেছে। সেগুলোর মধ্যে আছে—আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে সহনীয় মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতে বিপিসিকে প্রয়োজনীয় ভর্তুকি দেওয়া; সাময়িকভাবে জ্বালানি তেল আমদানিতে ইনভয়েস ভ্যালুর ভিত্তিতে শুল্ক-কর কমানো অথবা আগের মতো ট্যারিফ ভ্যালুর ভিত্তিতে শুল্ক-কর নির্ধারণ; ‘ফুয়েল স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ বা জ্বালানি তেলের মূল্য স্থিতিশীলকরণ তহবিল গঠন; ৯০ দিনের মজুত সক্ষমতা নিশ্চিত করা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন