ইরান যেভাবে যুদ্ধরীতির ধরন বদলে দিল
যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানে বোমাবর্ষণ শুরু করে, তখন তাদের প্রত্যাশা ছিল খুব দ্রুতই দেশটির সরকারকে পুরোপুরি পরাস্ত ও ধসিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। যুদ্ধের প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী প্রায় ১ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।
পরবর্তী ৩৭ দিনে তারা আরও ১২ হাজার লক্ষ্যবস্তু উড়িয়ে দেয়, যা ইরানের সামরিক অবকাঠামোর সিংহভাগই ধ্বংস করে ফেলে। এই হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান।
কিন্তু ছয় মাসের বেশি সময় পার হয়ে যাওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, ইরানি শাসনব্যবস্থা কেবল টিকেই থাকেনি, বরং এটি সম্ভবত আগের চেয়েও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। নিহত শীর্ষ নেতাদের শূন্যস্থান দ্রুত পূরণ করে স্থলাভিষিক্ত দল গঠন করে এবং ওয়াশিংটন ও তার আঞ্চলিক অংশীদারদের ওপর পাল্টা হামলা চালায়।
একই সঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বাড়িয়ে দেয় এবং এক নতুন রাজনৈতিক দর-কষাকষির শক্তি অর্জন করে।
- ট্যাগ:
- মতামত
- যুদ্ধ ও সংঘাত
- যুদ্ধ ঘোষণা