You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পেনিসিলিন: যে আবিষ্কার চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাল, সেটা নিয়ে কেন এখন উদ্বেগ

ঢাকার একটি হাসপাতালের করিডর। ছেলের সঙ্গে এসেছেন সত্তরোর্ধ্ব এক নারী। রক্ত ও প্রস্রাবের সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। তীব্র জ্বর ছিল। সঙ্গে ডায়রিয়া। চিকিৎসক দেখিয়েছিলেন। নিয়ম মেনে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়েছেন। কিন্তু পুরোপুরি সেরে উঠছেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে আবার কিছু পরীক্ষা করিয়েছেন। সেই রিপোর্ট দেখাতে এসেছেন।

ঘণ্টা দেড়েক অপেক্ষার পর ডাক এল। ছেলের হাত ধরে চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকলেন ওই নারী। মিনিট দশেক পর যখন বেরিয়ে এলেন, চোখমুখ থমথমে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ডাক্তার কী বললেন?’ হতাশ কণ্ঠে জবাব এল, ‘আগে যে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েছিলেন, সেসব শরীরে কাজ করছে না। এখন ওষুধ বদলে দিলেন।’

এই নারী অনেক সময় ফার্মেসি থেকে নিজেই অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেতেন। রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক ওই নারীকে বলেছেন, তাঁর শরীরে সাত থেকে আট ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক রেজিট্যান্স হয়ে গেছে। অর্থাৎ এসব ওষুধ এখন আর তাঁর শরীরে কাজ করছে না। এ বয়সে এটা বড় বিপদের কারণ হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে তিনি ও তাঁর ছেলে—দুজনই বেশ চিন্তিত।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিট্যান্স বা শরীরে কাজ না করার এমন সমস্যা আমাদের সমাজে মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। প্রবীণ থেকে শিশু—অনেকে ভুগছেন সমস্যাটিতে। যথেচ্ছ ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার থেকে সমস্যাটির সূচনা। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা, সভা, সেমিনার, উদ্যোগ, পরামর্শ; কিন্তু সমাধান যেন অধরা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন