ঘুম আসে না? এই ৫ অভ্যাসে দূর হবে অনিদ্রা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭

বিজ্ঞান ও মানব সভ্যতার ইতিহাস বলে, শিল্পবিপ্লবের আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের ঘুমের ধরন আজকের মতো আট ঘণ্টার একটানা বা ছাঁচে ফেলা ছিল না। তানজানিয়ার হাদজা, বলিভিয়ার সিমানে কিংবা নামিবিয়ার সান সম্প্রদায়ের মতো আধুনিক শিকারি-সংগ্রাহক মানুষদের জীবনযাত্রা বিভিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন গবেষকেরা। তাঁরা দেখেছেন, আধুনিক যুগের মানুষ যেখানে অনিদ্রা বা স্লিপ ডিসঅর্ডারে ভুগছে, সেখানে এই অনগ্রসর গোষ্ঠীগুলোতে ‘ঘুমের সমস্যা’ বলে কোনো বিষয় নেই। ফলে সেটি নিয়ে কথা বললে মানুষ ঠিক বুঝে ওঠে না। কিন্তু কীভাবে আধুনিক কৃত্রিম আয়োজন ছাড়াই তাঁরা নিশ্চিত করেন প্রশান্তির ঘুম? তাঁদের জীবনধারা থেকে নেওয়া কিছু অভ্যাস কাজে লাগিয়ে আপনিও আপনার ঘুমের মান উন্নত করতে পারেন।


প্রাকৃতিক আলো ও বায়োলজিক্যাল ক্লক


আমাদের শরীরের নিজস্ব একটি বায়োলজিক্যাল ঘড়ি রয়েছে। একে বলা হয় সার্কাডিয়ান রিদম। আধুনিক যুগে কৃত্রিম আলো আর স্ক্রিনের ব্যবহারে এই রিদম নষ্ট হয়ে যায়। শিকারি-সংগ্রাহক মানুষেরা দিনের শুরুতে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো গ্রহণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে প্রচুর প্রাকৃতিক আলো পেলে রাতের কৃত্রিম আলো বা ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষতিকর প্রভাব অনেকাংশে কমে যায়।


তাপমাত্রার ওঠানামায় অভ্যস্ত হওয়া


শুধু আলো আমাদের পূর্বপুরুষদের ঘুম নিয়ন্ত্রণ করত, এমন নয়। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল প্রাকৃতিক তাপমাত্রা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা কমে যাওয়া এবং ভোরের দিকে আবার তাপমাত্রা বাড়ার এই স্বাভাবিক চক্রই শরীরকে ঘুমানোর সংকেত দেয়। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরের মতো স্থির তাপমাত্রায় না থেকে রাতে ঘরের থার্মোস্ট্যাট কিছুটা কমিয়ে রাখা বা জানালা খোলা রেখে তাপমাত্রার এই প্রাকৃতিক পরিবর্তন অনুভব করা ঘুমের পক্ষে সহায়ক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও