বিশ্ব গর্ভনিরোধ দিবস: সামগ্রীর সংকটে বাড়ছে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ

যুগান্তর প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪

দেশে বাল্যবিয়ের হার কিছুটা কমলেও কিশোরী বয়সে সন্তান ধারণের চিত্র এখনো উদ্বেগজনক। এর সঙ্গে গর্ভনিরোধক পদ্ধতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব, প্রয়োজনীয় জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর সংকট এবং সেবার সীমিত সুযোগ যুক্ত হওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি কমছে না। দারিদ্র্য, কম শিক্ষার হার, প্রজননস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতার ঘাটতি ও সামাজিক সংকোচ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এমন প্রেক্ষাপটে আজ ২৬ সেপ্টেম্বর সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব গর্ভনিরোধ দিবস-২০২৬’।


এবারের প্রতিপাদ্য ‘নো ব্যারিয়ার্স, জাস্ট চয়েসেস : কনট্রাসেপটিভ অ্যাকসেস নাউ’-‘কোনো বাধা নয়, শুধুই পছন্দ’। গর্ভনিরোধক সম্পর্কে সঠিক তথ্য, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও সেবা সহজলভ্য করা, ব্যক্তি ও দম্পতিকে সন্তান নেওয়ার সময় ও ব্যবধান সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি করাই দিবসের মূল লক্ষ্য।


ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মালটিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫-এর তথ্যানুযায়ী, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সি নারীদের ৪৭ দশমিক ২ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে। ১৩ দশমিক ৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই। ২০১৯ সালে এ হার ছিল যথাক্রমে ৫১ দশমিক ৪ ও ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ কিছুটা অগ্রগতি হলেও বাল্যবিয়ে এখনো ব্যাপক।


শিক্ষা ও দারিদ্র্যের সঙ্গে বাল্যবিয়ের সম্পর্কও স্পষ্ট। এমআইসিএসের হিসাবে, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই-এমন নারীদের মধ্যে ১৮ বছরের আগে বিয়ের হার ৬৯ শতাংশ। সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের নারীদের মধ্যে এ হার ৬৫ শতাংশ। বিপরীতে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাসম্পন্ন নারীদের মধ্যে এ হার ২৮ শতাংশ। গ্রাম ও শহরের মধ্যেও ব্যবধান রয়েছে-গ্রামীণ নারীদের মধ্যে ১৮ বছরের আগে বিয়ের হার ৫৮ শতাংশ, শহরে ৫০ শতাংশ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও