দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় ব্যক্তি খাতকে অংশীদার করলে অগ্রগতি দ্রুত হবে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:২৬

বাংলাদেশের অর্থনীতির আগামী দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হচ্ছে জ্বালানি নিরাপত্তা। জ্বালানিকে এখন শুধু বিদ্যুৎ বা গ্যাস সরবরাহের বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি সরাসরি আমাদের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, রপ্তানি সক্ষমতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই জ্বালানিসংকটের একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজতে হলে সরকার ও ব্যক্তি খাতকে অংশীদার হিসেবে কাজ করতে হবে।


বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারির শেষে দেশের গ্রিডভিত্তিক স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। ক্যাপটিভ ও অফ গ্রিড সক্ষমতা যোগ করলে মোট স্থাপিত সক্ষমতা ৩২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি।


অথচ বিপিডিবির হিসাবে গত বছর সর্বোচ্চ চাহিদা পূরণের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ আমাদের সমস্যাটি শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থাপিত সক্ষমতার ঘাটতি নয়; বরং সেই সক্ষমতাকে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ীভাবে কাজে লাগানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রাথমিক জ্বালানি নিশ্চিত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও