বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান প্রথম সন্তানের তৈমুরের জন্ম দিয়েছেন প্রায় ৯ বছর আগে। কিন্তু আজও তার ভক্ত-অনুরাগীরা মনে রেখেছেন তার পোস্ট-প্রেগন্যান্সি ট্রান্সফর্মেশন। যখন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তখনো যেমন তিনি নিজেকে লুকিয়ে রাখেননি, ঠিক তেমনই প্রসবের পরও বহুবার ধরা দিয়েছেন পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায়। না কঠোর ব্যায়াম করেছেন, না ক্র্যাশ ডায়েট করেছেন, কিন্তু দ্রুতই ওজন কমিয়ে ছিলেন তিনি? তাই প্রেগন্যান্সির পর ওজন কমানোর ওপর জোর দিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু রোগা হওয়ার চেষ্টা কখনো করেননি অভিনেত্রী।
শুধু কারিনা একা নয়, প্রত্যেক নারীরই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ওজন বেড়ে যায়। এটা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার কোনো দরকার নেই। কিন্তু সবার জীবনযাপন এক রকম নয়। সন্তান জন্মের পর প্রত্যেক মায়ের জীবন বদলে যায়। তখন নিজের যত্ন নেওয়ার সময় থাকে না। কিন্তু এর মধ্যেও নিজের খেয়াল রাখতে হয়।
ওই সময় ক্র্যাশ ডায়েট করার বা খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দেওয়ার একেবারেই প্রয়োজন নেই। বরং কারিনা কাপুরের মতো ব্যালান্সড ও পুষ্টিকর ডায়েটের ওপর জোর দিন। আর কঠোর শরীরচর্চাও করতে হবে না। বরং অ্যাকটিভ থাকার চেষ্টা করুন। যে কোনো এক্সারসাইজ করলেই উপকার পাবেন। তবে মনে রাখবেন, ওজন একদিনে কমবে না। শুধু বজায় রাখতে হবে ধারাবাহিকতা।
এর আগে ২০১৭ সালের এক সাক্ষাৎকারে কারিনা কাপুর জানিয়েছিলেন, গর্ভাবস্থায় তার প্রায় ১৮ কেজি ওজন বেড়ে গিয়েছিল। তবে তিনি তার পছন্দের খাবার খাওয়া ছাড়েননি। প্রতিদিন ভাত এবং ঘি দিয়ে পরোটা খেতেন বেবো।