যুদ্ধ থেকে বাঁচতে গৃহহীন হাজারো ইয়েমেনি, আশ্রয় জিবুতির শরণার্থী শিবিরে

কালের কণ্ঠ ইয়েমেন প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৩৬

আকাশে যখন যুদ্ধবিমানের গর্জন শুরু হয়, ইয়েমেনের শহর ধুবাবের বাড়িঘর তখন থরথর করে কাঁপে। শিশুদের চিৎকার আর আতঙ্কের সেই শব্দই ৫০ বছর বয়সী ইব্রাহিম ইসাকে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছিল—ভিটেমাটি ছেড়ে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার।


ইব্রাহিম ইসা একা নন। ইয়েমেনের হুতি ও সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর মধ্যকার দীর্ঘদিনের যুদ্ধ যখন সম্প্রতি লোহিত সাগর উপকূল ও বাব আল-মান্দাব প্রণালির দিকে নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে, তখন হাজার হাজার ইয়েমেনি পরিবার প্রাণ বাঁচাতে একই পথ বেছে নেয়। ইব্রাহিম নিজের মাছ ধরার বড় নৌকায় পরিবার ও গোটাকয়েক ছাগল চাপিয়ে সমুদ্র পেরিয়ে পৌঁছেছেন আফ্রিকার দেশ জিবুতির ওবোক শহরের মারকাজি ক্যাম্পে।


বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস প্রখর তাপমাত্রায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও জিবুতি সরকারের যৌথ পরিচালনায় চলা এই ক্যাম্পের খোলা গুদাম এবং তাঁবুর সারিতে ঠাঁই হয়েছে নতুন আসা হাজার হাজার মানুষের।

লোহিত সাগরে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর সাম্প্রতিক সময়েই এই শিবিরে তিন হাজারের বেশি নতুন শরণার্থী এসে উঠেছেন। অন্যদিকে, পুরো ইয়েমেন জুড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার ছাড়িয়েছে।


উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় কিছুটা শিথিল হলেও সাম্প্রতিক সময়ে চুক্তিটি ভেঙে পড়ে। দেশটির প্রধান প্রধান জনবহুল অঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা উপকূল ধরে এগোতে থাকলে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট শত শত বিমান হামলা চালিয়ে তার জবাব দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও