হুতিরা গোটা আরব-ব্যবস্থা ওলটপালট করছে, সবচেয়ে মার খাচ্ছে সৌদি

প্রথম আলো জো গিল প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬

গেল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরের আগে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি জ্বালানি মজুতকেন্দ্রে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।


রিয়াদজুড়ে তখন বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। একইভাবে জেদ্দা, তাইফ ও ইয়ানবুসহ দেশের আরও কয়েকটি অঞ্চলেও সতর্কসংকেত শোনা যায়।


হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার ঢেউয়ের মুখে সৌদি আরব কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, এই হামলা তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।


হুতিরা বলছে, ইয়েমেনে সৌদি হামলার জবাব হিসেবেই তারা সৌদি আরবে এসব হামলা চালাচ্ছে।


এখন প্রশ্ন হলো, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কি তাঁর বন্ধু সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে সহায়তা করবেন?


২০১৯ সালে ইরাক থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছিল। সে সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট সৌদি আরবকে সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।


এবারও যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়ে হোয়াইট হাউসে ফোন করেছেন। কিন্তু ট্রাম্প আবারও না বলেছেন।


গত বছর ট্রাম্পের সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তির সময় মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রে ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।


কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তির কাছ থেকে সেই বিনিয়োগের বিনিময়ে সৌদি আরব প্রায় কোনো সুরক্ষাই পাচ্ছে না।


ট্রাম্প প্রশাসন রিয়াদকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া এবং লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু ট্রাম্প নতুন কোনো যুদ্ধে জড়াতে মরিয়া হয়ে অনিচ্ছুক।


ইরানকে অবরোধে মার্কিন বাহিনী এমনিতেই চাপের মধ্যে রয়েছে। এর পরিবর্তে ট্রাম্প এমন একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করেছেন, যারা ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটকে আট বছরের ভয়াবহ যুদ্ধের পর কার্যত অচলাবস্থায় ফেলেছিল।


সম্প্রতি ওমানে মাসকাটে যে চুক্তি হয়েছে, তার আওতায় হুতিদের নেতারা ২০২৫ সালের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।


এর ফলে লোহিত সাগর দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে। তবে সৌদি জাহাজ এর আওতার বাইরে থাকবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও