ইরান দখলে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এই রাষ্ট্রনায়ক, শেষ পর্যন্ত ঝুলতে হয়েছে ফাঁসির দড়িতে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪

১৯৮০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, সকাল গড়িয়ে দুপুর—ইরাকের প্রায় ১৯২টি যুদ্ধবিমান ইরানের আকাশ ‘ছেয়ে ফেলেছে’। শুরু হলো তীব্র বিমান হামলা।


ইরানের কাছে এই হামলা ছিল অপ্রত্যাশিত। ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ঠিক এটাই করতে চেয়েছিলেন। তিনি অতর্কিত হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষের কোমর ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন, যেন তাঁর পদাতিক বাহিনী যখন সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশীর ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে, তখন কোনো প্রতিরোধের সামনে পড়তে না হয়।


কিন্তু সাদ্দাম হোসেন যেমনটা হিসাব কষেছিলেন, বাস্তবে যুদ্ধ সে পথে এগোয়নি। ওই সময় ইরানের তুলনায় সামরিক শক্তিতে অনেক এগিয়ে থাকা সাদ্দাম ভেবেছিলেন, দ্রুতই তিনি ইরানকে কাবু করে ফেলতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে এই যুদ্ধ প্রায় আট বছর ধরে চলেছে। বলা হয়, আধুনিক কালে দুই দেশের মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী যুদ্ধ ছিল।


চলমান ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হিসাবেও প্রায় একই ধরনের ভুল হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালায়। সেদিনের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক–বেসামরিক নেতা ও কর্মকর্তা নিহত হন।


ট্রাম্প দম্ভভরে বলেছিলেন, ইরান তাদের সামনে দুই থেকে চার সপ্তাহ টিকতে পারবে। কিন্তু যুদ্ধ এখন সাত মাসে গড়িয়েছে। শান্তির কোনো লক্ষণ নেই; বরং ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশগুলোও ইরানের হামলার শিকার হচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও