জাতীয় ডিমেনশিয়া নীতিমালা কেন জরুরি

প্রথম আলো ইমদাদুল হক তালুকদার প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮

জীবনের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় যে মানুষটি পরম মমতায় নিজের পরিবার ও সমাজকে গড়ে তুলেছিলেন, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি যখন নিজের চেনা বসতভিটা, প্রিয় সন্তান, এমনকি নিজের নামটি পর্যন্ত মনে করতে পারেন না—তখন এর চেয়ে গভীর মানবিক ট্র্যাজেডি আর কিছু হতে পারে না।


ডিমেনশিয়া কোনো নিছক বার্ধক্যজনিত স্বাভাবিক উপসর্গ বা সাধারণ স্মৃতিভ্রংশ নয়; এটি মস্তিষ্কের এক জটিল ও ক্রমবর্ধমান ক্ষয়িষ্ণু রোগ, যা একজন মানুষের আত্মমর্যাদা, পরিচিতি ও মৌলিক সক্ষমতাকে নিঃশেষ করে দেয়। অথচ আমাদের সমাজে দীর্ঘকাল ধরে একে কেবল বয়সের ভার বা ভীমরতি বলে উপেক্ষা করা হয়েছে। প্রবীণদের নীরব এই হাহাকার ও মানবিক সংকট মোকাবিলায় একটি সুনির্দিষ্ট জাতীয় ডিমেনশিয়া নীতিমালা বা পলিসি প্রণয়ন করা আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন সক্রিয় সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্পষ্ট বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ২০১৭ সালের ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছিল ডিমেনশিয়া–বিষয়ক বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ২০১৭)।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও