উত্তরে ডেঙ্গুর ১০০ ‘হটস্পট’, দক্ষিণে ২৯ ওয়ার্ড ঝুঁকিপূর্ণ, সেগুলো কোনগুলো

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭

ছোট একটি ঘর। সেটির স্যাঁতসেঁতে দেয়াল ঘেঁষে জমে আছে পানি। সেই পানিতে জন্ম নিয়েছে এডিস মশার লার্ভা। ঘরটির অবস্থান রাজধানীর লালমাটিয়ার জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নিউ কলোনি আবাসিক এলাকায়।


গতকাল শনিবার সকালে কলোনির ওই ঘরের পাশে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা দেখতে পান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মশকনিধনকর্মীরা। পরে ঘরের বাসিন্দাদের স্থানটি পরিষ্কার করতে বলেন তাঁরা। এরপর সেখানে ওষুধ ছিটিয়ে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া কলোনি এলাকায় আরও ছয় স্থানে পাওয়া যায় এডিসের লার্ভা। সেগুলোও ধ্বংস করা হয়।


হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের ঠিকানা যাচাই করে ঢাকা উত্তর সিটি এলাকায় ডেঙ্গুর ১০০টি হটস্পট চিহ্নিত করেছে ডিএনসিসি। এর মধ্যে ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নিউ কলোনি আবাসিক এলাকাটি রয়েছে।


অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২৯টি ওয়ার্ডকে এডিস মশার প্রজনন ও ডেঙ্গুর জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। উচ্চ ঝুঁকির এলাকাগুলোতে ‘উল্টান, ফেলুন, পরিষ্কার করুন বা উফপ’ শীর্ষক বিশেষ প্রচারাভিযান চালাচ্ছে ডিএসসিসি। সংস্থাটির জরিপে ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতেই এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এসব এলাকাতেও চালানো হচ্ছে বিশেষ মশকনিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান।


আজ ২০ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্জ্য অপসারণ, পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ও সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।


পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যানুযায়ী, ফেলে দেওয়া বোতল, প্লাস্টিকের পাত্র, টায়ার, কৌটা কিংবা অন্যান্য বর্জ্যে পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশার ওষুধ ছিটানো নয়, সম্ভাব্য প্রজননস্থল অপসারণ করা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও জরুরি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও