যেভাবে গৃহস্থালি বর্জ্যের শতভাগ পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করল দক্ষিণ কোরিয়া
বিশ্বের উন্নত দেশগুলোয় পচনশীল বর্জ্য বা খাবারের উচ্ছিষ্টাংশ একটি বড় পরিবেশগত সংকট। তবে এ সংকটকে সম্পদে রূপান্তর করে এক অনন্য নজির গড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। তিন দশক আগে যেখানে দেশটির ৯৭ শতাংশ পচনশীল বর্জ্য ভাগাড়ে (ল্যান্ডফিল) ফেলে দেওয়া হতো, আজ তার প্রায় ৯৭ শতাংশই পুনর্ব্যবহার (রিসাইকেল) হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত সিউলের এই সফল মডেল অনুসরণ করে এখন নিজেদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি।
সিউলের বর্জ্য ফেলার আধুনিক প্রযুক্তি
গত শনিবার বিকেলে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের ইয়োউইদো এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে দেখা যায় প্রতিদিনের এক পরিচিত দৃশ্য। স্থানীয় বাসিন্দা সেউংহোয়ান হং সপ্তাহের জমে থাকা সবজির খোসা, বেঁচে যাওয়া ভাত ও ফলের অংশ একটি পাত্রে নিয়ে ভবনের নিচে রাখা বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে এলেন।
সেখানে রাখা একটি বিশেষ ডাস্টবিনে নিজের ডিজিটাল কার্ডটি ছোঁয়াতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে গেল ঢাকনা। ভেতরে খাবার ঢালার পর মনিটরে মুহূর্তেই উঠে এল উচ্ছিষ্টের ওজন ও সেই অনুযায়ী হংয়ের অ্যাকাউন্টে যোগ হলো নির্দিষ্ট মাশুল।
- ট্যাগ:
- জটিল