You have reached your daily news limit

Please log in to continue


আত্মত্যাগের ৬৪ বছরেও অধরা টেকসই শিক্ষানীতি

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, মহান শিক্ষা দিবস। ১৯৬২ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চাপিয়ে দেওয়া বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে শহীদ হন বাবুল, গোলাম মোস্তফা, ওয়াজিউল্লাহসহ অনেকে। শিক্ষার অধিকার ও বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে সেদিনের আন্দোলন বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেয়।

রক্তক্ষয়ী সেই আন্দোলনের ৬৪ বছর পেরিয়েছে। এরমধ্যে স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ। পরিবর্তন এসেছে শিক্ষাব্যবস্থায়। বিনামূল্যে পাঠ্যবই, উপবৃত্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার সম্প্রসারণসহ নানান উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রণয়ন করা হয়েছে ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’।

তবুও দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল শিক্ষাব্যবস্থার প্রশ্নে এখনো রয়ে গেছে মৌলিক চ্যালেঞ্জ। ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির অনেক লক্ষ্য ও সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষার স্তর অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ ও শিক্ষাআইন প্রণয়নেও কোনো অগ্রগতি নেই। টেকসই, যুগোপযোগী ও সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাও অধরা।

স্বাধীন বাংলাদেশে একের পর এক সরকার ক্ষমতায় এসেছে। শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার বুলি আওড়ালেও কার্যকর শিক্ষানীতি মেলেনি। সুপারিশ বাস্তবায়নে অনীহা, শিক্ষা আইন প্রণয়নে দীর্ঘসূত্রতা এবং বারবার পরিবর্তিত শিক্ষাক্রমের কারণে শিক্ষাব্যবস্থা ক্রমেই ভেঙে পড়ছে।

বিএনপি সরকার অবশ্য নতুন শিক্ষানীতি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তবে সরকারে বসার প্রায় ৮ মাস হলেও শিক্ষানীতি প্রণয়নে কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। সরকারকে বারবার তাগিদ দিলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখছেন না শিক্ষাবিদরা। এ নিয়ে হতাশ তারা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন