You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মক্কা চুক্তি : সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

এ বছরের ৭ আগস্ট মুসলমানদের পবিত্র নগরী মক্কায় ঘটে গেছে এক অভূতপূর্ব ঘটনা, যা বর্তমান ভূরাজনীতির হিসাব অনেকটাই পালটে দেবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। ওই দিনে সৌদি আরবের মক্কায়, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ‘মক্কা দলিল’ নামে এক ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এ চুক্তিটিকে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি হিসাবে অভিহিত করলেও মক্কা চুক্তিকে অনেকেই ‘মুসলিম ন্যাটো’ হিসাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এর জন্য অবশ্য চুক্তিটির সবচেয়ে আলোচিত ধারাটিকেই উদ্ধৃত করা হচ্ছে।

যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, পক্ষভুক্ত তিনটি দেশের যে কোনো একটি দেশ বহিঃশত্রুর আক্রমণের শিকার হলে, তিন দেশই তা নিজেদের ওপর আঘাত হিসাবে বিবেচনা করবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বাধ্যবাধকতা হুবহু ন্যাটোর আর্টিকেল ৫-এর অনুরূপ এবং ধারাটি একই সঙ্গে জাতিসংঘের আর্টিকেল ৫১-এ বলা ‘ব্যক্তি এবং সমষ্টির আত্মরক্ষার্থের অধিকার’-এর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। যদিও চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ্যে আসেনি, তবে জানা গেছে, রিয়াদে এ সংস্থার সচিবালয় হবে এবং প্রথম সেক্রেটারি জেনারেল হিসাবে পাকিস্তান দায়িত্ব পালন করবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন