শব্দদূষণ যেভাবে আমাদের শ্রবণশক্তি কমাচ্ছে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:১০

অত্যধিক শক্তিশালী শব্দের এক্সপোজার ক্রমাগত আমাদের শ্রবণকোষগুলোকে ধ্বংস করতে থাকে। ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পায়, যাকে বলা হয় শব্দ-প্ররোচিত শ্রবণশক্তি হ্রাস।


এই মাত্রাতিরিক্ত শব্দ বিভিন্ন উৎস থেকে আসতে পারে। যেমন কারখানার যন্ত্রপাতি, ভবন নির্মাণ, উচ্চ শব্দের সরঞ্জাম ব্যবহার।


এ ছাড়া বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড, যেমন মাইকের ব্যবহার, শুটিং, ডিস্কো, ব্যক্তিগত স্টেরিও, গাড়ির হর্ন ইত্যাদি।


পেশাগত বধিরতা একটি ক্ষতিপূরণযোগ্য রোগ। যুক্তরাজ্য ও আমেরিকায় ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের জন্য বর্তমানে গ্রহণযোগ্য শব্দের মাত্রা ৯০ ডেসিবল। শব্দ এক্সপোজারের সঠিক পরিমাণ কাজের সময় অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।


কীভাবে শব্দ ক্ষতি করে


৯০ ডেসিবলের বেশি শব্দের মাত্রা কানের ভেতর কক্লিয়ার পরিবর্তন ঘটায়। প্রাথমিকভাবে কক্লিয়ার বিপাকীয় ক্লান্তি দেখা দেয়। ক্রমবর্ধমান ও বারবার শব্দের সংস্পর্শে আসার ফলে বাইরের হেয়ার কোষগুলোর ক্ষতি হয়।


এই কোষগুলো আমাদের কানে সারিবদ্ধ অবস্থায় সাজানো আছে। তাই প্রথম সারি, তারপর দ্বিতীয় সারি এবং সব শেষে তৃতীয় সারির (সবচেয়ে ভেতরের) হেয়ার কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখনই বধিরতা দেখা দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও