ছোটবেলায় রং পেন্সিল হাতে নিয়ে খাতার পাতায় ইচ্ছেমতো রং করার আনন্দের কথা মনে আছে? ফুলের পাপড়ি কখনো নীল, আকাশ কখনো গোলাপি, আবার গাছের পাতাও হয়তো সবুজের বদলে অন্য কোনো রঙে রাঙানো হয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই রঙের খাতা হারিয়ে গেলেও মানসিক চাপ যেন জীবনের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। কাজের চাপ, পারিবারিক ব্যস্ততা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সব মিলিয়ে নিজের জন্য সময় বের করাই কঠিন।
তবে এই ব্যস্ততার মধ্যেই একটু সময় নিয়ে আবার রং পেন্সিল হাতে বসতে পারেন। কারণ রং করা শুধু শিশুদের আনন্দের বিষয় নয়, বড়দের জন্যও এটি হতে পারে মনোযোগ ধরে রাখার এবং ব্যস্ততা থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার একটি সৃজনশীল উপায়।
রং করলে মন শান্ত হয় কেন?
মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রং করার সময় একজন মানুষ নির্দিষ্ট একটি কাজের দিকে মনোযোগ দেন। কোন জায়গায় কোন রং ব্যবহার করবেন, কীভাবে নকশাটি সাজাবেন- এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্য দিয়ে মস্তিষ্ক একটি সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত থাকে।
মনোবিজ্ঞান ও শিল্পভিত্তিক থেরাপি নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মতে, সৃজনশীল কাজ অনেক মানুষের ক্ষেত্রে আবেগ প্রকাশ এবং মানসিক চাপ সামলানোর একটি সহায়ক উপায় হতে পারে। তবে রং করাকে মানসিক সমস্যার চিকিৎসা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।