বুড়িগঙ্গা-তুরাগের দুই শতাধিক বর্জ্য উৎসমুখ বন্ধ হবে তো?
দূষণে বুড়িগঙ্গার যে করুণ দশা দাঁড়িয়েছে, তাতে সেটিকে আর নদী বলতে অস্বস্তিবোধ করছেন খোদ পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তার ভাষ্য, এটি এখন জলাধার বা নর্দমায় পরিণত হয়েছে।
আর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একন অধ্যাপক বলছেন, সেখানে মাছ বেঁচে থাকার মতোও দ্রবীভূত অক্সিজেন নেই; দেশি কোনো মাছ নেই বললেই চলে, আছে কেবল সাকার ফিস।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিঃসরিত বর্জ্যে কেবলই বুড়িগঙ্গা দূষিত হচ্ছে না; তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরীর মতো ঢাকার আশপাশের সব নদ-নদীই এখন মরতে বসেছে। বর্জ্য নিঃসরিত হয় এমন ছোটবড় ৪২৪টি উৎসমুখ চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
এসব উৎসমুখের ৬৬টিই ওয়াসার বলে শনাক্ত করা হয়েছে জরিপে। এর বাইরে ঢাকা দক্ষিণ-উত্তর সিটির পাশাপাশি ২৪৪টি ব্যক্তিমালিকানাধীন ও বেসরকারি শিল্প-কারখানার বর্জ্য উৎমুখ চিহ্নিত হয়েছে।
সংস্থার এক জরিপে দেখা গেছে, বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীতে এমন উৎসমুখ রয়েছে ২২৪টি। এর মধ্যে বুড়িগঙ্গায় ১৬৬টি এবং তুরাগে ৫৮টি উৎসমুখ রয়েছে।
বিজিএমইএ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইনামুল হক খান বলছেন, বুড়িগঙ্গা-তুরাগে এখন পানি নড়ে না, কাদার মত হয়ে গেছে।